QA As Sunnah Q&A

আস-সালামু আলাইকুম। সাহরী ও ইফতারের সময়সূচীতে লেখা থাকে যে রহমতের ১০ দিন, মাগফেরাতের ১০ দিন, নাজাতের ১০ দিন। এগুলো কেন লেখা হয়? এগুলো কি কুরআন ও হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
রমযান • প্রশ্ন #৬২৬৬ • ভিউ: ৩৩ • ২৬ মার্চ, ২০২৩

আস-সালামু আলাইকুম। সাহরী ও ইফতারের সময়সূচীতে লেখা থাকে যে রহমতের ১০ দিন, মাগফেরাতের ১০ দিন, নাজাতের ১০ দিন। এগুলো কেন লেখা হয়? এগুলো কি কুরআন ও হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।

প্রশ্নকারী: Raihan012023
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম। সাহরী ও ইফতারের সময়সূচীতে লেখা থাকে যে রহমতের ১০ দিন, মাগফেরাতের ১০ দিন, নাজাতের ১০ দিন। এগুলো কেন লেখা হয়? এগুলো কি কুরআন ও হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এটা হাদীসের কথা। একেবারে বানোয়াট না। তবে হাদীসটি দূর্বল। হাদীসটির মূল পাঠ হলো” وَهُوَ شَهْرٌ أَوَّلُهُ رَحْمَةٌ ، وَأَوْسَطُهُ مَغْفِرَةٌ ، وَآخِرُهُ عِتْقٌ مِنَ النَّارِ অর্থ: রমাজানের প্রথম অংশ রহমত, মাঝের অংশ মাগিরাত এবং শেষের অংশ জাহান্নাম থেকে মুক্তি। সহীহ ইবনে খুজায়মা, হাদীস নং ১৮৮৭; শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং ৩৩৩৬।

উক্ত হাদীসে আলী ইবনে জায়েদ ইবন জাদয়ান নামে একজন রাবী আছে। আল্লামা জাহাবী, ইমাম দারা কুতনী, ইমাম আহমাদসহ অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ তাকে দূর্বল বলেছেন। শায়খ আলবানী রহ. হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। সিলসিলাতুয যয়ীফাহ, হাদীস নং ৮৭১ ।