QA As Sunnah Q&A

আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী। আমার স্বামীও সরকারি চাকরি করেন। আমাদের ৫ বছরের একটা ছেলে আছে। বর্তমানে আমি ৫ মাসের গর্ভবতী। আমার স্বামী নামাজ পড়ে না, ইসলামের কোনো বিধি-বিধান মানে না। অফিস থেকে বা…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক • প্রশ্ন #৬২৭৯ • ভিউ: ২৪ • ০৮ এপ্রিল, ২০২৩

আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী। আমার স্বামীও সরকারি চাকরি করেন। আমাদের ৫ বছরের একটা ছেলে আছে। বর্তমানে আমি ৫ মাসের গর্ভবতী। আমার স্বামী নামাজ পড়ে না, ইসলামের কোনো বিধি-বিধান মানে না। অফিস থেকে বা…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী। আমার স্বামীও সরকারি চাকরি করেন। আমাদের ৫ বছরের একটা ছেলে আছে। বর্তমানে আমি ৫ মাসের গর্ভবতী। আমার স্বামী নামাজ পড়ে না, ইসলামের কোনো বিধি-বিধান মানে না। অফিস থেকে বাসায় এসেই আবার গলিতে ক্যারাম খেলতে চলে যায়। ওর মনমত চলে। সম্পর্ক ভালো থাকলেও সে আমার কথা শুনেনা। সংসার থেকে বাইরের বন্ধু-বানধবকে প্রায়োরিটি দেয় বেশি।

বাসায় যত সমস্যা হোক যত ফোন করি সে পরোয়া করে না। রাত ১১-১২টা না বাজলে সে বাসায় আসে না। ছেলেটা বাবাকে খুব মিস করে। এগুলো তাকে বলি কিন্তু কোন পাত্তা দেয় না। আমার এ সময়ে অফিস থেকে বাসায় গিয়ে কাজ কর্ম করতে কষ্ট হয় বা সংসার সামলাতে হিমশিম খেতে হয়। কিন্তু আমি কেমন আছি, কি খাচ্ছি, আমার শরীর আদৌ ভালো কিনা এগুলা এ অবস্থায়ও কোনো খোজ খবর নেয় না। আমি ওকে বাইরে যেতে নিষেধ করি না। শুধু বলি সংসারে অথবা ছেলেটাকে একটু সময় দিয়ে বাহিরে যাও। ক্যারাম খেলো।

আমার কোনো আপত্তি নাই। তার বেশি বাহিরে অবস্থান করা নিয়ে আমার সাথে প্রায়ই ঝগড়া লেগেই থাকে। কিছু বললে বরং পরেরদিন আর বাসায় আসেনা। আরও দেরি করে আসে। আমার বেতনের এটিএম কার্ড ওরে দিয়ে দিয়েছি। আমি কখনও টাকা উঠাই না। ওর থেকে নিয়ে খরচ করি। আর কিছু হলে বলবে আমাকে বেশি কিছু বলতে এসোনা ভালো না লাগলে চলে যাও। ডিভোর্স দিয়ে দেব। আমার বাসায় আমার শ্বাশুড়ি আমার মা, ভাই, কাজের মেয়ে আছে। আমারও এ সাংসারিক ঝামেলা আর নিতে পারিনা। ও কোনো ভাবেই বুঝেনা।

কাউকে দিয়ে বুঝালেও ফান করে। বড় ভাই, মা কারোর কথা কোনো পাত্তা দেয় না বরং ওরা কিছু বললে উল্টা ওদের সাথে ঝামেলা সৃষ্টি হয়। আমি মাঝে মধ্যে মনে করি সংসারটা ছেড়ে দেই কিন্তু আমি সংসারটা কখনোই ছাড়তে পারবো না। আমি প্রতি ওয়াক্ত নামাজে ওর জন্য দোয়া করি, ওর হেদায়াত কামনা করি। কিন্তু আল্লাহ্‌ই জানেন আমার কপালে কি আছে। এ অবস্থায় আমার করণীয় কি, আমি কি করতে পারি। প্লিজ আমাকে একটু পরামর্শ দিন। আমি আর পারছি না।

উত্তর
Published
ধৈর্য্য ধরে সংসার চালিয়ে যেতে হবে। মানুষ সবাই সমান নয়। কেউ কেউ বাইরে বেশী থাকে। সংসারে যদি আপনিার মা, শ্বাশুড়ী থাকে তাহলে তো আপনার বাচ্চার কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আমার মনে হয় অন্য অনেকের চেয়ে আপনি ভালো আছেন। ইসলামের বিধি-বিধান মানে কিনা সেটা বিয়ের আগে দেখা উচিৎ ছিল। যেহেতু দেখেনি নি, সুতরাং আপনার পরিবারও ইসলাম নিয়ে আদৌ চিন্তা করে বলে মনে হয় না। এখন এই নিয়ে আফসোস করে খুব বেশী কাজ হবে না। চাকুরী দেখে বিয়ে করেছেন, এখন ধৈর্য্য ধরে দুআ করা ছাড়া আর কোন পথ নেই।