ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
সৌদিতে রমজানের চাদ দেখা গেলে আমাদের দেশে রোজা শুরু হয় তার পরেরদিন এবং সৌদিতে রমজান মাস শেষ হয় আমাদের একদিন আগে। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে সৌদিতে যেদিন ২য় রমজান আমাদের দেশে সেদিন ১ম রমজান, ঠিক তেম…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
সৌদিতে রমজানের চাদ দেখা গেলে আমাদের দেশে রোজা শুরু হয় তার পরেরদিন এবং সৌদিতে রমজান মাস শেষ হয় আমাদের একদিন আগে। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে সৌদিতে যেদিন ২য় রমজান আমাদের দেশে সেদিন ১ম রমজান, ঠিক তেমনিভাবে সৌদিতে যেদিন বিজোড় রাত আমাদের দেশে সেদিন তার উল্টো মানে জোড় রাত আবার আমাদের দেশে যেদিন বিজোড় রাত সৌদিতে সেদিন জোড় রাত। তো আমরা হাদীসের ভাষ্যমতে জানি যে লাইলাতুল কদর হবে রমজানের শেষের দশদিনের বিজোড় রাতে। আর কদ্বরের রাত তো হবে একটাই আর তা যদি সৌদির বিজোড় রাতে হয় তাহলে তারা পাবে আর আমরা বঞ্চিত হবো আর যদি আমাদের দেশের বিজোড় রাতে লাইলাতুল কদর হয় তাহলে আমরা পাব এবং এরাবিয়ানরা বঞ্চিত হবে। তাহলে এমতাবস্থায় বঞ্চিত না হয়ে কিভাবে আমরা পবিত্র শব ই-ক্বদরের রাত পাব?
উত্তর
Published
নিচের হাদীটি লক্ষ্য করুন:
عَنْ كُرَيْبٍ أَنَّ أُمَّ الْفَضْلِ بِنْتَ الْحَارِثِ بَعَثَتْهُ إِلَى مُعَاوِيَةَ بِالشَّامِ قَالَ فَقَدِمْتُ الشَّامَ فَقَضَيْتُ حَاجَتَهَا وَاسْتُهِلَّ عَلَىَّ رَمَضَانُ وَأَنَا بِالشَّامِ فَرَأَيْتُ الْهِلاَلَ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ ثُمَّ قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فِى آخِرِ الشَّهْرِ فَسَأَلَنِى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ – رضى الله عنهما – ثُمَّ ذَكَرَ الْهِلاَلَ فَقَالَ مَتَى رَأَيْتُمُ الْهِلاَلَ فَقُلْتُ رَأَيْنَاهُ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ. فَقَالَ أَنْتَ رَأَيْتَهُ فَقُلْتُ نَعَمْ وَرَآهُ النَّاسُ وَصَامُوا وَصَامَ مُعَاوِيَةُ. فَقَالَ لَكِنَّا رَأَيْنَاهُ لَيْلَةَ السَّبْتِ فَلاَ نَزَالُ نَصُومُ حَتَّى نُكْمِلَ ثَلاَثِينَ أَوْ نَرَاهُ. فَقُلْتُ أَوَلاَ تَكْتَفِى بِرُؤْيَةِ مُعَاوِيَةَ وَصِيَامِهِ فَقَالَ لاَ هَكَذَا أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم
কুরাইব থেকে বর্ণিত যে, উম্মে ফজল বিনত হারেছ তাকে তাকে কোন কাজে সিরিয়ায় মুয়াবিয়া রা. এর কাছে পাঠিয়েছিলেন। কুরাইব বলেন, আমি সিরিয়ায় গিয়ে আমার কাজ শেষ করলাম। আসম সিরিয়ায় থাকা অবস্থায় রমাজানের চাঁদ উঠে। আমি জুমুআর রাত্রে চাঁদ দেখলাম। এরপর মাসের শেষদিকে আমি মদীনায় ফিরলাম। তখন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. চাঁদ প্রসঙ্গে আলাচনা করতে গিয়ে বললেন, তোমরা কোন দিন চাঁদ দেখেছো? আমি বললাম, জুমুআর রাত্রে। তখন তিনি বললেন, তুমি দেখেছো? আমি বললাম, হ্যাঁ এবং অন্য মানুষরাও দেখেছেেএবং রোজা রেখেছে, মুআবিয়া রা.ও রোজা রেখেছে। তখন ইবনে আব্বাস বললেন, আমরা শনিবার রাত্রে চাঁদ দেখেছি। আমরা রোজা রাখতেই থাকবো যতক্ষন না ৩০ টা হয় কিংবা চাঁদ দেখি। আমি বললাম, মুআবিয়া রা. এর চাঁদ দেখা এবং রোজা রাখা কিযথেষ্ট নয়? তিনি বললেন। এভাবেই রাসূলুল্লাহ সা. আমাদের আদেশ দিয়েছেন। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৮০।
দেখুন, এই হাদীসে আমরা দেখছি যে, সিরিয়াতে জোড় রাত হলে মদীনায় বিজোড়। সাহাবীরা এটাই মেনে নিয়েছেন যে, দুই জায়াগার তারিখ দুরকম।
সুতরাং এই নিয়ে এতো চিন্তা করার কোন দরকার নেই। যুক্তি-পাল্টাযুক্তিরও প্রয়োজন নেই। আপনার দেশের চাঁদ অনুযায়ী আপনি রোজা, লায়লাতুল কদর পালন করুন। আল্লাহ কবুল করবেন।
আরো বিস্তারিত জানতে দেখুন আমাদের দেয়া 3762 নং প্রশ্নের উত্তর।