ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম। আমি মোঃ আল মামুন। আমি একজন ফ্রিল্যান্সার (গ্রাফিক্স ডিজাইনার) এবং ইন্জিনিয়ারিং ছাত্র। আমার বাবা সুদে ঋণ নিয়েছিল অনেকদিন আগে। তখন সেটা দরকারেই নিয়ে ছিল। কিন্তু এখন সুদে ঋণ…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম। আমি মোঃ আল মামুন। আমি একজন ফ্রিল্যান্সার (গ্রাফিক্স ডিজাইনার) এবং ইন্জিনিয়ারিং ছাত্র। আমার বাবা সুদে ঋণ নিয়েছিল অনেকদিন আগে। তখন সেটা দরকারেই নিয়ে ছিল। কিন্তু এখন সুদে ঋণ তার কাছে আর কোন কিছুই মনে হয় না। এখন অনেক টাকার ঋণ হয়ে গেছে। আমি চেষ্টা করতেছে পড়াশোনার পাশাপাশি এই ঋণ গুলো শোধ দিতে। কিন্তু এত টাকা লেখাপড়ার পাশাপাশি শোধ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
১লক্ষ টাকা শোধ দিলে ততদিনে আসল বাদেই ৫০-৬০হাজার টাকায় সুদ হয়ে যায়। এখন আমি এ ব্যাপারে কিছু বললে বলে তোমার এসব নিয়ে চিন্তা করতে হবে না, আমার টাকা আমি শোধ দিব। কিন্তু সেটা তো করছেনই না উপরন্তু আরো বিভিন্ন ব্যাবসা করার কথা বলে সুদে ঋণ নিচ্ছেন। আমাদের ৩বিঘার মতো সম্পদ আছে। আমি ওখান থেকে কিছু বিক্রি করে শোধ দিতে বললেও দিচ্ছে না। এখন আমি আর কি করতে পারি, এত টাকা আমার পক্ষেও উপার্জন করা পসিবল হচ্ছে না।
প্লিজ যদি পরামর্শ দিতেন? আর আমি এই বিষয়ে কথা বলতে গেলে উনি রেগে যান। এখন ভালো ভাবে বলতে গেলে উনি শোনেন না, তাই মাঝে মাঝে রেগে কথা বলতে হয়, তাহলে এসব করে না। এখন এর জন্য যদি আমার জান্নাত হারাম হয়ে যায় তাহলেও তো সমস্যা। শায়খ প্লিজ একটু জানাতেন আমার করণীয়?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। বাবার পাপের জন্য আপনি দায়ী নন। তাকে বুঝানো আপনার দায়িত্ব। আপনি সেটা পালন করেছেন। সময় সুযোগ হলে আরো বুঝাবেন। তবে তাকে উত্তেজিত করে কিছু করতে যাবেন না, এতে ভালো ফল হবে না। আল্লাহর কাছে দুআ করুন, আপনি আপনার কাজগুলো ইসলাম অনুযায়ী করুন।