আস-সালামু আলাইকুম। আমি একজন মেয়ে, বয়স ২৯ অবিবাহিত।আমার চারপাশে বিয়ে পরবর্তী বিভিন্ন ঝামেলা দেখে ১৮ সালে সিদ্ধান্ত নেই বিয়ে করবো না এবং পরিবারেও জানাই কিন্তু তারা এটা মেনে নেয়নি। আমি ব্যক্তিগ…
পরবর্তীতে এই বছরের জানুয়ারি তে আমার চেয়ে ৬ বছরের ছোট একজন হুজুর পাত্রের সাথে বিয়ে ঠিক হয়। পাত্র আমার চেয়ে লেখাপড়া,আয়ের দিক থেকে দূর্বল। আমার পরিবার আর আমি বিষয়টা সহজ করেই নিয়েছি। মোহরানা এবং বাকি যা আছে ছেলের সামর্থ্যের উপর ছেড়ে দিয়েছি। আমার শুধু একটাই শর্ত ছিলো আমার পারিবারিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাজ করতে দিতে হবে (পর্দা করেই কাজ করি)।পরবর্তী ছেলের সাথে ফোনে,মেসেজে রেগুলার কথা হতো(আমি অযথা কথা বলা পছন্দ করি না)।
পাত্রকে যখন বলতাম এতো কথা বলা ঠিক না তখন বলতো বিয়ের উদ্দেশ্যে কথা বলা যাবে।পরবর্তীতে আমার ও দূর্বলতা সৃষ্টি হয়ে যায়। বিয়ের ঠিক ১ মাস আগে পাত্র আমাকে বলে সে অযোগ্য, ইনকাম কম তাই সে বিয়ে করতে পারবে না। তখন আমি বুঝায়া বলি এসব ব্যাপার না। এটা আবার আমার পরিবার জেনে যায় তাদেরকেও ম্যানেজ করি। তারপরে আবারও পাত্র বিয়ের এক সপ্তাহ আগে একদমই মানা করে দেয় সে বিয়েটা করবে না। কারন দেখায় আমি বাইরে কাজ করলে লোকে তাকে কটুকথা শোনাবে।
আমার পরিবারও মেনে নেয় কিন্তু আমার তাকে ভালোলেগেছে যার কারনে আমি এক বছর সময় চেয়েছি কাজ গুছায়া ছেড়ে দেওয়ার জন্য। পরে পাত্র আবার পুনরায় রাজি হয় বিয়ের প্রস্তাব দেয় কিন্তু এখন আমার পরিবার একদমই রাজি না। আমার পরিবারের বক্তব্য হলো পাত্রের কথায় কাজে মিল নাই, ম্যাচিউর না পরবর্তীতে আমাকে কষ্ট দিবে।
এখন আমি মানসিক ভাবে খুবই বিপর্যস্ত হয়ে (মরে যেতে মনে চায়) পড়েছি ইবাদতেও মনোযোগ দিতে পারছি না। বিয়েটা আমার জন্য খুবই জুরুরি এটা আমার পরিবারও বোঝার চেষ্টা করছে না। এখন আমি কি করবো বুঝতে পারছি না?
এখন আপনার জন্য আবশ্যক হলো এই ছেলের সাথে যে কোন সম্পর্ক ত্যাগ করে পরিবারের উপর বিয়ের বিষয়টি ছেড়ে দেয়া। পরিবারের সম্মতিতে একজন আল্লাহভীরু ছেলের সাথে বিবাহ করবেন। যদি তার প্রয়োজনীয় উপার্জন থাকে আর সে আপনাকে চাকুরী ছাড়তে বলেন,তাহলে চাকুরী ছেড়ে দিবেন।