ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম, আমাদের পরিবারের সকল জমি (নিজ গ্রাম এবং চর এলাকায়) বর্গাচাষী চাষ করেন। নিজ গ্রামের জমির ফসল অর্ধেক দিবেন হিসেবে বর্গা দেওয়া। যদিও ফসল ভাগ করার জন্য আমাদের যাওয়া সম্ভব হয…
প্রশ্নকারী: Mailmazharul
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম, আমাদের পরিবারের সকল জমি (নিজ গ্রাম এবং চর এলাকায়) বর্গাচাষী চাষ করেন। নিজ গ্রামের জমির ফসল অর্ধেক দিবেন হিসেবে বর্গা দেওয়া। যদিও ফসল ভাগ করার জন্য আমাদের যাওয়া সম্ভব হয় না। ফসল উঠানো পর বর্গাচাষী ভাগ করে আমাদের গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে থাকেন। চর অঞ্চলের জমির ফসলের ভাগ নিদিষ্ট করে দেওয়া (উদাহরণ ৫০ মণ দিতে হবে)। কিন্তু বর্গাচাষী ফসলের ভাগ দেওয়ার সময় কম দিয়ে থাকেন। আমরা ও এতে আপত্তি করি না। উল্লেখ্য যে চর অঞ্চলের বর্গাচাষী তার নিজ দায়িত্বে ফসল বিক্রি করে আমাদের কে টাকা দিয়ে থাকেন। আরো উল্লেখ্য যে গ্রামের জমির মত অর্ধেক দিবেন হিসেবে বর্গা দেওয়া হলে ফসল অনেক কম দিয়ে থাকেন এবং ফসল কাটার সময় এবং ফসল সংগ্রহ করার সময় বার বার যেতে হয়, যাহা আমাদের জন্য অনেক কঠিন কাজ। আমার প্রশ্ন
১। আমরা নিয়মিত সম্পদের (নগদ টাকা, স্বর্ণ, ব্যাংক জমা টাকা,চর অঞ্চলের জমির ফসলের বিক্রি টাকা ) হিসাব করে যাকাত দিয়ে থাকি। আমরা কি এই যাকাত দেওয়ার পর চর অঞ্চলের জমির ফসলের আলাদা যাকাত দিতে হবে? ২। গ্রামের ফসলের ১০ মণে ১ মণ যাকাত হিসেবে দিয়ে দেওয়া হয়। এই হিসাব কি ঠিক আছে? ৩। চর অঞ্চলের জমির বা গ্রামের জমির বর্গা দেওয়া নিয়ম ঠিক আছে কি? ৪। সম্পদের যাকাত এবং ফসলের যাকাত কি আলাদা হিসেব করতে হয়? বিস্তারিত জানাবেন দয়া করে।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ফসল পাওয়ার পর ঐ বছর ফসলের যাকাত দিতে হবে। অন্যান্য সম্পদ থেকে ফসলের যাকাত আলাদা দিতে হবে। বৃষ্টির পানিতে ফসল হলে ১০ ভাগরে একভাগ ফসল যাকাত হিসেবে দিতে হবে। কৃত্রিমভাবে পানি উঠিয়ে ফসল হলে ২০ ভাগের একভাগ যাকাত দিতে হবে।
ফসল বাদে অন্য সম্পদের যাকাত ৪০ ভাগের একভাগ।সুতরাং পরবতীর্তে ফসল বিক্রি করে টাকা হলে পরের বছর থেকে টাকার হিসেবে যাকাত দিবেন। শতকরা আড়াই টাকা যাকাত দিতে হবে। ফসলের যাকাত এবং অন্যান্য সম্পদের যাকাতের হিসাব একটু আলাদা।
নির্দিষ্টভাবে উৎপাদিত ফসলের ৫০ মন দিতে হবে, এমন চুক্তি করা যাবে না। ৫০% দিতে হবে এমন চুক্তি করতে হবে। পার্সেন্ট হিসেবে বর্গা দেয়ার নিয়ম ঠিক আছে।
ফসল বাদে অন্য সম্পদের যাকাত ৪০ ভাগের একভাগ।সুতরাং পরবতীর্তে ফসল বিক্রি করে টাকা হলে পরের বছর থেকে টাকার হিসেবে যাকাত দিবেন। শতকরা আড়াই টাকা যাকাত দিতে হবে। ফসলের যাকাত এবং অন্যান্য সম্পদের যাকাতের হিসাব একটু আলাদা।
নির্দিষ্টভাবে উৎপাদিত ফসলের ৫০ মন দিতে হবে, এমন চুক্তি করা যাবে না। ৫০% দিতে হবে এমন চুক্তি করতে হবে। পার্সেন্ট হিসেবে বর্গা দেয়ার নিয়ম ঠিক আছে।