ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আমার স্বামী ঋণগ্রস্ত। বর্তমানে কর্মের জন্য অন্য শহরে আছে। প্রায় আট মাস যাবৎ আমাদের দেখা নেই। ছেলে বাবাকে দেখার জন্য পাগল প্রায়। কিন্তু আমার বাড়ি থেকে কিছুতেই তাঁর সাথে দেখা করতে দিচ্ছে না তা…
প্রশ্নকারী: Meherunmoon2012
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমার স্বামী ঋণগ্রস্ত। বর্তমানে কর্মের জন্য অন্য শহরে আছে। প্রায় আট মাস যাবৎ আমাদের দেখা নেই। ছেলে বাবাকে দেখার জন্য পাগল প্রায়। কিন্তু আমার বাড়ি থেকে কিছুতেই তাঁর সাথে দেখা করতে দিচ্ছে না তার চলে যাওয়ার পর থেকে আমি সন্তানসহ বাবার বাড়িতে আছি। আমরা দুজনেই কষ্ট পাচ্ছি। আবার আমার পরিবারের একরোখা স্বভাবের জন্য দেখা করতেও পারছি না। এমতাবস্থায় করণীও কি? কেননা ঋণ পরিশোধ না করে, খরচের কথা বিবেচনায় একসাথে থাকতে পারছি না। তবে আমার পরিবার চাইলে মাঝে মধ্যে আমরা দেখা করতে পারি।কিন্তু বাবা-মা চায় সম্পর্ক না থাকুক।
উত্তর
Published
খুবই দু:খজনক কথা। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সম্পর্ক ভাল থাকার পরও আপনার বাবা-মায়ের এমন ব্যবহার চরম মূর্খতা। আপনার বাবা-মা যাদের কথা মান্য করে তাদের কাউকে দিয়ে বিষয়টি বুঝাতে পারেন যে, স্বামী স্ত্রীর মাঝে এভাবে আড়াল হওয়া অপরাধ। তারা যেন একে অপরের সাথে প্রয়োজনীয় দেখা সাক্ষাৎ করতে পারে সে সুযোগ দেয়া আবশ্যক। বাধা দেয়া গুনাহের কাজ। এটা তাদের মেয়ের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে ক্ষতির কারণ। যদি এতেও তারা সাবধান না হয় তাহলে যেহেতু তারা আপনাদের সুখের সংসারে ভাঙন ধরাতে চায় তাই কষ্ট হলেও আপনার বাবার বাড়ি থেকে চলে গিয়ে অন্য কোথাও থাকা দরকার। যদি স্বামীর কর্মস্থলে জীবন-যাত্রার ব্যয় অনেক বেশী হয় তাহলে অন্য কোন ছোট শহরে আপনি থাকতে পারেন। স্বামী ঋন ধীরে ধীরে পরিশোধ করে দিবে, সংসারটাও তো বাঁচাতে হবে। আল্লাহ আপনাদের সমস্যা দূর করে দিন।