ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম। আমি ব্যাংকক থাকি। এখানে একটি ইউনিভার্সিটি মসজিদ আছে। যেখানে মাঝে মাঝে ফজরে কোন মুসল্লী আসে না। এবং মসজিদে কোন ইমাম, খতিব, খাদেম কেউই নেই। যেহেতু এটি একটি নন মুসলিম কান্ট্র…
প্রশ্নকারী: Python089
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম। আমি ব্যাংকক থাকি। এখানে একটি ইউনিভার্সিটি মসজিদ আছে। যেখানে মাঝে মাঝে ফজরে কোন মুসল্লী আসে না। এবং মসজিদে কোন ইমাম, খতিব, খাদেম কেউই নেই। যেহেতু এটি একটি নন মুসলিম কান্ট্রি, স্টুডেন্ট কমিটির মুসলিম এসোসিয়েশন মসজিদটি পরিচালনা করছে। এবং জুমার নামাজসহ মসজিদটিতে বাকি ওয়াক্ত সুন্দর সাবলীলভাবেই পরিচালনা করা হয়। আমার প্রশ্ন হল, এক্ষেত্রে শরীয়তের শাস্তি কি, যেহেতু মাঝে মাঝে একটি ওয়াক্তে কোন মুসল্লি মসজিদে আসছে না এবং যেহেতু আমি এই ব্যাপারটি অবগত আছি, এক্ষেত্রে আমার কোন করণীয় আছে কিনা। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
উত্তর
Published
ফজর বাদে অন্যান্য ওয়াক্তগুলো যেহেতু সুন্দরভাবে আদায় হচ্ছে তাহলে ফজরের সালাতটা এভাবে আয়োজন করতে সমস্যা কী এটা বুঝতে পারছি না। যদি আয়োজনের সুযোগ থাকার পরও অর্থাৎ রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন বাধা যদি না দেয় তাহলে এভাবে একটা ওয়াক্তের সালাতকে অবহেলা করার জন্য মসজিদ পরিচালনা কমিটি অবশ্যই গুনাহের কাজ করছেন।
পুরুষ মানুষ মসজিদে সালাত আদায় করবে এটাই নিয়ম। যদি দুয়েক সময় না আসতে পারে সেটা ভিন্ন বিষয়। আর এখানে সবাই মিলে বাড়িতে থাকছে, মসজিদ অচল হয়ে পড়ে রয়েছে, এটা খুব খারাপ কাজ।
আপনি পরিচালনা কমিটির কাছে ফজরের ওয়াক্ত আয়োজনের জন্য বলবেন। আপনি নিজে সব সময় মসজিদে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য আসবেন। যদি আপনার সাথে আরো কিছু মুসল্লি ফজরের সালাতের জন্য মসজিদে নিয়ে আসতে পারেন তাহলে আপনাদের দাবী আদায়ের জন্য আরো সহায়ক হবে। আল্লাহ আমাদের সকল ওয়াক্ত সালাত জামাতের সাথে আদায় করার তাওফীক দান করুন।