QA As Sunnah Q&A

আস-সালামু আলাইকুম, কোন স্ত্রী যদি ঝগড়া বিবাদ এর সময় রাগের মাথায় স্বামীকে এই বলে সম্বোধন করে যে "তুই আমার বাপ" তাহলে এ বিষয়ে শরিয়তের বিধান কি প্লিজ। জাজাকাল্লাহ খাইরান

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
বিবাহ-তালাক • প্রশ্ন #৬৪৮৭ • ভিউ: ২১ • ০২ নভেম্বর, ২০২৩

আস-সালামু আলাইকুম, কোন স্ত্রী যদি ঝগড়া বিবাদ এর সময় রাগের মাথায় স্বামীকে এই বলে সম্বোধন করে যে "তুই আমার বাপ" তাহলে এ বিষয়ে শরিয়তের বিধান কি প্লিজ। জাজাকাল্লাহ খাইরান

প্রশ্নকারী: Hmajjpo
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম, কোন স্ত্রী যদি ঝগড়া বিবাদ এর সময় রাগের মাথায় স্বামীকে এই বলে সম্বোধন করে যে "তুই আমার বাপ" তাহলে এ বিষয়ে শরিয়তের বিধান কি প্লিজ। জাজাকাল্লাহ খাইরান
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এর মাধ্যমে স্বামী স্ত্রীর জন্য হারাম হবে না, তালাক হবে না, যিহারও হবে না। যিহার কেবল স্বামীর পক্ষ থেকে হয়; স্ত্রীর পক্ষ থেকে নয়। তবে এমন বলা বড় গুনাহের কাজ। এটি কসম হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে তার করণীয় হল, কসম ভঙ্গের কাফফারা আদায় করা। কাফফারা হলো: দশজন ফকির-মিসকিনকে খাবার খাওয়ানো। খাবারের মান হবে নিজের পরিবারের লোকজন যেমন খাবার খেয়ে থাকে। অথবা দশজন ফকির-মিসকিনকে কাপড় দেয়া। প্রত্যেককে কমপক্ষে এতটুকু কাপড় দেয়াযার দ্বারা নামাজ আদায় করা যায়। অথবা একজন কৃতদাস মুক্ত করা। যদি এর কোনোটি সম্ভব না হয়, তাহলে ধারাবাহিকভাবে তিনদিন রোজা রাখতে হবে। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, لاَ يُؤَاخِذُكُمُ اللَّهُ بِاللَّغْوِ فِي أَيْمَانِكُمْ وَلَكِن يُؤَاخِذُكُم بِمَا عَقَّدتُّمُ الأَيْمَانَ فَكَفَّارَتُهُ إِطْعَامُ عَشَرَةِ مَسَاكِينَ مِنْ أَوْسَطِ مَا تُطْعِمُونَ أَهْلِيكُمْ أَوْ كِسْوَتُهُمْ أَوْ تَحْرِيرُ رَقَبَةٍ فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ ذَلِكَ كَفَّارَةُ أَيْمَانِكُمْ إِذَا حَلَفْتُمْ وَاحْفَظُواْ আল্লাহ তায়ালা অনর্থক শপথের জন্য তোমাদেরকে দায়ী করবেন না। কিন্তু যেসব শপথ তোমরা ইচ্ছাকৃতভাবে কর, সে সবের জন্য তিনি তোমাদের দায়ী করবেন। এর কাফফারা হলো, দশজন ফকির-মিসকিনকে মধ্যম ধরনের খাবার দান, যা তোমরা তোমাদের পরিজনদের খেতে দাও। অথবা তাদেরকে কাপড় দান কিংবা একজন কৃতদাস মুক্তি। আর যার সামর্থ্য নেই, তার জন্য তিনদিন রোজা রাখা। এটাই তোমাদের কসমের কাফফারা। [mfn][সুরা মায়িদা : ৮৯][/mfn] আল্লাহ তায়লা ভাল জানেন। আরো বিস্তারিত জানতে