ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম। পর্দা করেনা এমন নারীর কাছে কোন পণ্য কেনা কি জায়েজ হবে? কিনে ফেললে কি সে হালাল পণ্য হারাম হবে? আমি একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হতে গেলে সেখানে একটি নারী অফিসের দায়িত্বে ছিলেন…
প্রশ্নকারী: Mehrabbd22
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম। পর্দা করেনা এমন নারীর কাছে কোন পণ্য কেনা কি জায়েজ হবে? কিনে ফেললে কি সে হালাল পণ্য হারাম হবে? আমি একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হতে গেলে সেখানে একটি নারী অফিসের দায়িত্বে ছিলেন যিনি ঠিকমত পর্দা করেননি এমতামস্থায় আমাকে তার সাথে কথা বলতে হয়েছে এবং তার মাধ্যমে ভর্তি হতে হয়েছে এতে কি কোন সমস্যা আছে? আমার জন্য কি সে কোচিং করা হারাম হবে? আমার বিষয়টি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান নেই তাই আপনাদের কাছে জানতে চাই।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। বেপর্দা নারীর থেকে পণ্য কিনতে গেলে আপনি নিজে পর্দাহীনতার মধ্যে পড়ে যেতে পারেন, তাই প্রয়োজন না হলে পর্দাহীন নারীদের থেকে কোন কিছু না কেনা ভাল। তবে কিনলে হালাল পণ্য হারাম হয়ে যাবে না। না, পর্দাহীন নারীর সাথে ভর্তি সংক্রান্ত আলোচনার কারণে সেখানে কোচিং করা হারাম হবে না। তবে কোচিংয়ের ক্লাসে যদি পর্দাহীন পরিবেশ থাকে তাহলে সেখানে কোচিং করা জায়েজ হবে না।