QA As Sunnah Q&A

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, চাকুরীর সুবাদে বিভিন্ন দিবসে (শোক দিবস/ শহীদ দিবস) আমাদেরকে পুষ্প স্তবক অর্পণ করতে হয়। এটা অর্পণ করলে তো ঈমান থাকে না। এ অবস্থায় চাকরি করা কতটা যুক্তিয…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক → আদব আখলাক → ইতিহাস → নামায → ত্বহারাত পবিত্রতা → জানাযা-কবর যিয়ারত → ঈমান → রোজা → সফর → আকীকা → শিরক-বিদআত → ঈদ কুরবানী → হাদীস ও উসূলুল হাদীস → যিকির দুআ আমল → নফল সালাত → হালাল হারাম → লেনদেন → বিবাহ-তালাক → তাওহীদ → তারাবীহ → যাকাত → ফিতরা → ব্যক্তিগত ও পারিবারিক → জুমআ → সুন্নাত → দাওয়াত ও তাবলিগ → কুরআন → হাদীস → জাদু-টোনা → সিরাত সামায়েল → পোশাক পরিচ্ছেদ → ফারায়েজ → মানত → আখিরাত → জান্নাত-জাহান্নাম → তাফসীর → রিসালাত → হজ্জ → জিহাদ → বাতিল ফিরকা → বিতর → সাধারণ দান-সদকাহ → হালাল → বিচার আচার → সালাত → ব্যক্তিগত ও তাবলিগ → সদকাহ → কাফফরা → সুদ-ঘুষ → আকীদা → পবিত্রতা → গুনাহ → জায়েয → রমযান → ইতিকাফ → দান-সদকাহ → বিদআত → মুসাফির → মসজিদ → পোশাক-পর্দা → তায়াম্মুম → বিবিধ →
সুন্নাত • প্রশ্ন #৬৫৯০ • ভিউ: ১০৫ • ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, চাকুরীর সুবাদে বিভিন্ন দিবসে (শোক দিবস/ শহীদ দিবস) আমাদেরকে পুষ্প স্তবক অর্পণ করতে হয়। এটা অর্পণ করলে তো ঈমান থাকে না। এ অবস্থায় চাকরি করা কতটা যুক্তিয…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, চাকুরীর সুবাদে বিভিন্ন দিবসে (শোক দিবস/ শহীদ দিবস) আমাদেরকে পুষ্প স্তবক অর্পণ করতে হয়। এটা অর্পণ করলে তো ঈমান থাকে না। এ অবস্থায় চাকরি করা কতটা যুক্তিযুক্ত? এখন আয়ের বিকল্প পথ নেই যে, এটা ছেড়ে সেটা ধরবো। এমতাবস্থায় করনীয় কি? বিস্তারিত জানাবেন প্লিজ, আমার রুটি রুজির বিষয়। সারাজীবন ইবাদত করে যদি তা বর্বাত হয়ে যায়, তাহলেতো সবই গেলো।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এগুলো বড় ধরণের গুনাহের কাজ। তবে ঈমান নষ্ট হযে যায়, এরকম না। এগুলো করলে গুনাহ হবে, তবে চাকুরীর বেতন হারাম হবে না। সুতরাং যে কোন উপায়ে এগুলো থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করতে হবে। যাদের চাকুরী বা কাজে এই ধরণের হারামে লিপ্ত হতে হয় না, তাদের কাজ নিঃসন্দেহ উত্তম। আল্লাহর কাছে এমন কর্মের দুআ করা দরকার যেখানে কোন ধরণের হারাম বা না জায়েজ কাজে জড়ানোর কোন সম্ভাবনা থাকে না। আর আল্লাহকে ভয় করে হারাম কাজ ছেড়ে দিলে আল্লাহ তাদের যথাযথ প্রতিদান দিবেন মর্মে কুরআনে উল্লেখ আছে।  আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, ,وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا – وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ যে আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার একটা রাস্তা বের করে দিবেন। এমন উৎস থেকে রিযিক দান করবেন যা কখানো সে কল্পনাও করে নি। যে আল্লাহর উপর ভরসা করে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট। সূরা তলাক, আয়াত ২-৩। সুতরাং হারাম ছেড়ে দিলে রিযিকের ব্যবস্থা আল্লাহ করে দিবেন। সাময়িক কষ্ট হতে পারে, তবে দীর্ঘ মেয়োদে হালালের ভিতরেই কল্যান ও শান্তি নিহিত।
✅