QA As Sunnah Q&A

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। কেউ যদি জীবনের বহু বছর নামাজ না পড়ে এবং পরবর্তীতে তাওবা করে নামাজী হয়, তবে তাকে কি ঐ সকল নামাজ কাযা পড়তে হবে? আর তার বদলে কি তার সন্তান কাযা সম্পূর্ণ করতে …

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক → আদব আখলাক → ইতিহাস → নামায → ত্বহারাত পবিত্রতা → জানাযা-কবর যিয়ারত → ঈমান → রোজা → সফর → আকীকা → শিরক-বিদআত → ঈদ কুরবানী → হাদীস ও উসূলুল হাদীস → যিকির দুআ আমল → নফল সালাত → হালাল হারাম → লেনদেন → বিবাহ-তালাক → তাওহীদ → তারাবীহ → যাকাত → ফিতরা → ব্যক্তিগত ও পারিবারিক → জুমআ → সুন্নাত → দাওয়াত ও তাবলিগ → কুরআন → হাদীস → জাদু-টোনা → সিরাত সামায়েল → পোশাক পরিচ্ছেদ → ফারায়েজ → মানত → আখিরাত → জান্নাত-জাহান্নাম → তাফসীর → রিসালাত → হজ্জ → জিহাদ → বাতিল ফিরকা → বিতর → সাধারণ দান-সদকাহ → হালাল → বিচার আচার → সালাত → ব্যক্তিগত ও তাবলিগ → সদকাহ → কাফফরা → সুদ-ঘুষ → আকীদা → পবিত্রতা → গুনাহ → জায়েয → রমযান → ইতিকাফ → দান-সদকাহ → বিদআত → মুসাফির → মসজিদ → পোশাক-পর্দা → তায়াম্মুম → বিবিধ →
সালাত • প্রশ্ন #৬৬০৬ • ভিউ: ৮০ • ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। কেউ যদি জীবনের বহু বছর নামাজ না পড়ে এবং পরবর্তীতে তাওবা করে নামাজী হয়, তবে তাকে কি ঐ সকল নামাজ কাযা পড়তে হবে? আর তার বদলে কি তার সন্তান কাযা সম্পূর্ণ করতে …

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। কেউ যদি জীবনের বহু বছর নামাজ না পড়ে এবং পরবর্তীতে তাওবা করে নামাজী হয়, তবে তাকে কি ঐ সকল নামাজ কাযা পড়তে হবে? আর তার বদলে কি তার সন্তান কাযা সম্পূর্ণ করতে পারবে। তাছাড়া শুনেছি ইচ্ছাকৃত নামাজ ত্যাগ করা কুফর, এক্ষেত্রে এ কাজ কেউ করলে সে কি আর মুসলিম থাকে না? সেসময় কি সে অ-মুসলিম বিবেচিত হবে?
উত্তর
Published
রাসূলুল্লাহ সা. এর যুগে কোন মুসলমান ইচ্ছাকৃত ভাবে কোন নামাযই কাজা করেন নি সুতরাং ইচ্ছাকৃত ভাবে বছর বছর নামায কাজা করলে কী করতে হবে সে বিষয়ে সহীহ হাদীসে পাওয়া যায় না।  অধিকাংশ আলেমের অভিমত  হলো বহুদিন ধরে ইচ্ছাকৃত নমায ছেড়ে দিলে (যাকে অনেকেই উমরি কাজা বলে) উক্ত নামায কাযা আদায় করতে হবে। তা সে যত ওয়াক্তই হোক না কেন। যিনি নামায ছেড়েছেন তাকে কাযা করতে হবে, তার সন্তান কাযা করবে না।  আর আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, যেন তিনি ক্ষমা করে দেন। যারা কুরআন-সুন্নাহতে বিশ্বাস করে, নামায ফরজ হওয়াকে মেনে নেয় তারা যদি ইচ্ছা করে নামায ছেড়ে দেয়, তাহলে অ-মুসলিম হবে না ইনশআল্লাহ। তবে নামায ছাড়ার কারণে কবীরা গুনাহ হবে। আলফিকহুল ইসলামিয়্যু ও আদিল্লাতুহু, ২/৩১৩
✅