ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। আমার বয়স ৩৩। আমি সামুদা কেমিক্যাল কমপ্লেক্স লিমিটেড এ ২০১৩ এর ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে প্রসেস কেমিস্ট পদে চাকরি করছি মুন্সিগঞ্জ এ। আমার দুই ভাই ভাবিসহ ঢাকায় থাকা। আমার বাবা…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। আমার বয়স ৩৩। আমি সামুদা কেমিক্যাল কমপ্লেক্স লিমিটেড এ ২০১৩ এর ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে প্রসেস কেমিস্ট পদে চাকরি করছি মুন্সিগঞ্জ এ। আমার দুই ভাই ভাবিসহ ঢাকায় থাকা। আমার বাবা মা মেহেরপুরে বাড়িতে থাকেন। ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে আমার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের আগে খোজ নিয়ে জানতে পারি মেয়ে মডারন, তার মা ঝগড়াটে, তার বাবার যৌন কেলেংকারি আছে ও খারাপ লোক। কিনতু আমার বাবা মা আমাকে বোঝায় যে মেয়ে ভাল ও নামাজ এবং পরদা করে। আমার উপর তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ সৃষটি করে। আমি এস্তেখারা করে কিছুতেই তাকে বিয়ে করতে ইচ্ছে করছিল না। কিন্তু শেষ পরযনত আমি সেখানে যেতে বাধ্য হয়। সেখানে গিয়ে আমি মেয়েটাকে ভালভাবে বুঝতে পারিনি। আমি যে প্রশ্নগুলো করি তার ইতিবাচক উত্তর দেয়। যেমন নামাজ পরে, পরদা কতে ইত্যাদি। ঐ দিনই আমার বিয়ে পড়িয়ে দেয়া হয়। আরো কিছু মিথ্যা তথ্য দেয়। কিনতু বিয়ের পর দেখা গেল যে অজু গোসল এর ফরজ, নামায এর পদ্ধতি, সুরা কিছুই জানে না। আমার খুব মন খারাপ হয়ে গেল। তারপর অনেক ভেবে চিনতে সংসার করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। তার সাথে প্রথম তিন মাস মেলামেশা করতে পেরেছিলাম। কিন্তু এরপর থেকে আমাকে অপছন্দ ও বিচ্ছেদ চায়তে শুরু করল। এর চার মাস পর তার সাথে আমার বিচছেদ হয়ে গেল। গত মাসে আমি একটি মেয়েকে পছনদ করেছি। মেয়েটি ধারমিক, পাচ ওয়াকত নামাজ পড়ে। সকালে কুরআন পড়ে। তার মা মারা গেছে এবং কিছুটা গরিব। সে ইংরেজিতে অনারস মাস্টারস করে একটি ইসকুল এ চাকরি করে। মেয়েটির একটি ছেলের সাথে বিয়ে হয়েছিল বছর দুই আাগে এবং বিচছেদ হয়েছে বছরখানেক। ছেলেটি ধারমিক ছিল না এবং মেয়েটিকে পরদা করতে বাধা দিত ও দূরব্যবহার করতো। আমি এস্তেখারা করে তাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু আমার বাবা মা একটি এইচএসসি পরীক্ষারথী মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে চায়। তার খোজ নিয়ে জানতে পেরেছি সে ঝগড়াটে, কলেজে চিতকার চেচামেচি করে যদিও আমার বাবা তাকে ধারমিক বলছে। তার বাবার আরথিক অবস্থা ভাল এবং মাসজিদের ইমাম। আবার আমি যাকে পছন্দ করেছি তার পিতাও মাসজিদের ইমাম। আমি যাকে পছন্দ করেছি তার সাথে আমার বাবা মা কিছুতেই দিবে না এবং আমার বাবা মা যাকে পছন্দ করেছে তাকে আমি বিয়ে করতে মোটেও ইচছুক না। আমার পছনদের মেয়েকে আমি নিজে দেখেছি এবং সেও আমাকে পছনদ করেছে। তার বাবা ভাইরাও আমার সাথে তাকে বিয়ে দিতে চায়। তার চরিত্র সম্পরকে প্রায় সবাই ভাল বলেছে। কেউ কেউ তাকে কিছুটা অসুস্থ বলেছে। এ অবসথায় আমি যদি বাবা মাকে না জানিয়ে তাকে বিয়ে করি তাহলে কি আমার অপরাধ হবে। আশা করি দ্রুত উত্তর দিবেন। তাহলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব ইনশা আল্লাহ।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। বিবাহের ক্ষেত্রে অভিভাবকের অনুমতি নেয়া মেয়েদের জন্য আবশ্যক। ছেলেদের জন্য অভিভাবকের অনুমতি নেয়া ইসলামের দৃষ্টিতে আবশ্যক নয়। আপনি আপনার পিতা-মাতাকে রাজী করাতে চেষ্টা করুন। না হলে আপনি তাদের অনুমতি ছাড়ই বিবাহ করতে পারবেন।