ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমার প্রশ্নটা হলো, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে একটা বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়, আমি যখন এপ্লিকেশন করি সেইটায়, তখন সেইটা ভালোভাবে বুঝতাম না যে এটা সম্পুর্ন সুদ ভিত…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমার প্রশ্নটা হলো, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে একটা বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়, আমি যখন এপ্লিকেশন করি সেইটায়, তখন সেইটা ভালোভাবে বুঝতাম না যে এটা সম্পুর্ন সুদ ভিত্তিক বৃত্তি প্রদান করা হবে বা ভালো ভাবে গুরুত্ব দিয়ে এটা দেখা হয় নি আমার, এখন আমি অনলাইনে সার্চ করে জানতে পারি যে এই বৃত্তির টাকা গ্রহন করা জায়েয নয়, এমতাবস্থায় আমি আমার পরিবারকে জানিয়েছি, তাঁরা অতটা ইসলামিক মাইন্ডের না, তাঁদের বুঝানোর পরও তারা এটা আমাকে গ্রহণ করতে বলতাছে, আমি এখনো বাবামার টাকায় পড়াশোনা করি, আমি জেনারেল পড়ুয়া একজন স্টুডেন্ট, এখন তারা এটাও বলতাছে, যে টাকা না নেওয়ার কারনে তারা নাকি আমাকে পড়াবেও না, এমনকি আমার সাথে খারাপ ব্যবহারও করতাছে, এমতাবস্থায় আমি কি করতে পারি? এই বৃত্তির টাকা সম্ভবত ৪ বছর দেওয়া হবে, হয়তো প্রতি মাসে ১০০০-১৫০০ টাকা করে দিতে পারে, আমি যখন নিজে ইনকাম করব কিছু, তখন এই বৃত্তির টাকাটা ফ্যামিলি কে না জানিয়ে অন্য গরীব কাউকে যদি কোনো সওয়াবের আশা না করে এমনিই দিয়ে দেই, তাহলে কি আমার জন্য জায়েজ হবে? বা আমি কি এই গুনাহ থেকে পরিএান পাবো? যেহেতু আমি একজন স্টুডেন্ট, সেহেতু আলাদা ভাবে নিজের খরচ চালানোও আমার জন্য কস্ট কর, এমতাবস্থায় বাবা মায়ের খারাপ ব্যবহার, আমি কি করবো এখন প্লিজ বলুন
উত্তর
Published
আল্লাহ আপনার উপর রহম করুন। আপনার সমস্যার সমাধান করে দিন। আপনি উপার্জন করে এই টাকা গরীবদেরকে দিতে পারবেন, এমন কোন নিশ্চয়তা নেই। সুতরাং এই চিন্তা বাদ দিতে হবে। পড়াশোনা করা ফরজ ওয়াজিব কিছু না, কিন্ত সুদ থেকে বেঁচে থাকা ফরজ। আপনি আপনার পিতা-মাতাকে চুড়ান্তভাবে বলে দিবেন যে, এই টাকা আপনি নিবেন না। যদি তারা হালাল টাকা দিয়ে পড়াশোনা করাতে পারে ,করবেন। অন্যথায় হালাল কোন কাজ খুঁজে সেই কাজে আত্মনিয়োগ করুন। হারামে লিপ্ত হয়ে পড়াশোনার দরকার নেই।