ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম, আপনার কাছে জানতে চাই ইসলামের বিধি বিধান থেকে মানুষের খাওয়া দাওয়া কেমন হওয়া উচিত। কি ভাবে আহার করলে সুস্থ থাকতে পারবো। এখন কিছু ডাক্তার আছে তারা বলে আমাদের দেশের প্রচলিত খা…
প্রশ্নকারী: Babul Sky31
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম, আপনার কাছে জানতে চাই ইসলামের বিধি বিধান থেকে মানুষের খাওয়া দাওয়া কেমন হওয়া উচিত। কি ভাবে আহার করলে সুস্থ থাকতে পারবো। এখন কিছু ডাক্তার আছে তারা বলে আমাদের দেশের প্রচলিত খাবার খাওয়া যাবে না। অনেক দাম দিয়ে তাদের কাছে থেকে বিভিন্ন প্রোডাক্ট কিনে খেতে হবে যেমন এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল, অর্গানিক বাদাম এমন আরো অনেক কিছু।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। হালাল সকল খাদ্য খাওয়া যাবে। যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী খাবার সংগ্রহ করবে। সবার উপার্জন এক না, সুতরাং সবার খাবারও একই রকম দামের হবে না। আবার সবার শরীর এক না, তাই সবাই সব ধরণের খাবারও খাবে না, যার শরীর যে খাবারে ভাল থাকে সে সে খাবার খাবে। স্থান, কাল, পাত্র ভেদে খাবার বিভিন্ন রকম হতে পারে, তবে সকল হালাল খাদ্য খাওয়া যাবে। খাবারে ক্ষতিকর উপাদন থাকলে সেই খাবার বর্জন করতে হবে। নিজে খাবার উৎপাদন করার মত অবস্থায় থাকলে নিজ হাতের হাতের খাবার অবশ্যই স্বাস্থের জন্য ভাল হবে। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল, অর্গানিক বাদাম এসব উচ্চমূল্যের খাবার যাদের কেনার সামর্থ্য আছে তারা খাবে। সবার এই খাবার না খেলে স্বাস্থে সমস্যা হবে, এরকম না। সবাই সবার শরীরের অবস্থা জানে, কিভাবে সুস্থ থাকা যায়, এটাও সবার জানা, সুতরাং সেভাবে খাবার খাবে। হাদীসে পেটের তিন ভাগের এক ভাগ খাবার দ্বারা এবং আরেক ভাগ পানি দ্বারা পূর্ণ করতে বলা হয়েছে আর একভাগ খালি রাখতে বলেছেন রাসূল সা.। এটা স্বাস্থ সুরক্ষার জন্য খুবই কার্যকারী।