ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
This is the case of one of my sisters: আমার কেস টা হলোঃ আমি শশ্বর,শাস্বরি,ননদ আর দেবরের সাথে ঢাকায় থাকি। আমার স্বামি থাকে আশুগঞ্জ,ওইখানে তার চাকরী। আমার এই ঢাকার বাসায় আমার শশ্বর,শাস্বরি,ননদ…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
This is the case of one of my sisters: আমার কেস টা হলোঃ আমি শশ্বর,শাস্বরি,ননদ আর দেবরের সাথে ঢাকায় থাকি। আমার স্বামি থাকে আশুগঞ্জ,ওইখানে তার চাকরী। আমার এই ঢাকার বাসায় আমার শশ্বর,শাস্বরি,ননদ সারাদিন আমাকে বাপ-মা তুলে গালি দেয়। আমার ননদ এর বয়স ৩০ বছর, সে অবিবাহিত,সে যখন অফিস থেকে বাসায় ফেরে আমাকে বকতে থাকে। আমি স্বামীকে একথা গুলো বললেও সে আমাকে চুপ থাকতে বলে। উল্লেখ্য যে আমার স্বামী আমাকে তার কাছে ও নিতে চায়না। আমার ভরন-পোষণ আমার শস্বুর বাড়ির পক্ষ থেকে দেওয়া হয়,কারণ আমার স্বামী টাকা পেয়ে সব তার মাকে দিয়ে দেয়। সে সপ্তাহে দুই দিন বাসায় আসে। আমরা কোন প্রাইভেট কথা বলতে পারিনা,সবি তাদের সামনে বলতে হয়। আর এই দুইদিনের সারাদিন সে বন্ধুদের সাথে কাটায় আর আমার সাথে তার রাতে দেখা হয়। আর এখানে তারা আমার সব প্রাইভেট বেপারে ও হস্তক্ষেপ করে এমনকি আমি কবে বাচ্চা নেব সে বেপারেও। প্রসংগত, আমার স্বামী ওইভাবে নামায পড়েনা, আমি যতটুক পারি তাকে বোঝাই। ঠিক এই মুহুর্তে তার সাথে আমার কন্টিনিউ করাটা খুব কোঠিন হয়ে যাচ্ছে। ইসলামিক উপায়ে আমার এখন কি করা উচিত?
উত্তর
Published
আপনি বিষটি নিয়ে আপনার স্বামীর সাথে একান্ত মূহুর্তে আলোচনা করুন। আপনার পিতা-মাতার সাথেও আলোচনা করুন আর দুআ করতে থাকুন। বিশেষ করে নিচের দুআ গুলো :
রাহে বেলায়েত গ্রন্থের ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ১৫৭, ১৮৮, ১৯২ নং দুআগুলো সুন্নাত সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বেশী বেশী পাঠ করুন। এছাড়া কুরআনের এই দুআ দুটিও সুন্নাত সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বারবার পড়বেন, رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ এবং
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
রাহে বেলায়েত গ্রন্থের ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ১৫৭, ১৮৮, ১৯২ নং দুআগুলো সুন্নাত সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বেশী বেশী পাঠ করুন। এছাড়া কুরআনের এই দুআ দুটিও সুন্নাত সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বারবার পড়বেন, رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ এবং
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا