ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আমি একটা মেয়ের সাথে হারাম রিলেশনে ছিলাম, আমি আল্লাহকে ভয় করে ওই মেয়েটাকে ছেড়ে দিলাম,,,আমি জানি বিয়ের আগে এসব হারাম কাজ আল্লাহ তায়ালা পছন্দ করেন না, তাই আমি সব হারাম কাজ ছেড়ে দিলাম,,,এখন প্র…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমি একটা মেয়ের সাথে হারাম রিলেশনে ছিলাম, আমি আল্লাহকে ভয় করে ওই মেয়েটাকে ছেড়ে দিলাম,,,আমি জানি বিয়ের আগে এসব হারাম কাজ আল্লাহ তায়ালা পছন্দ করেন না, তাই আমি সব হারাম কাজ ছেড়ে দিলাম,,,এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমি যে যায়গায় প্রায়ভেট পড়ি ওই মেয়েটাও আমার সাথে পড়ে, সে যখন আমার সাথে মাদ্রাসায় বা প্রায়ভেট পড়ে তখন আবার আমার ওই সব হারাম কাজ করতে মন চায় সেক্ষেত্রে আমার করণীয় কি দয়া করে বলবেন,,,
পরের প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি চাই যে আমি কোনো মেয়ের সাথে কথা বলবো না, কিন্তু মেয়েরা আমার সাথে আগে এসে কথা বলে, আমি জানি মেয়েদের সাথে কথা বলা হারাম, কিন্তু আমি কোনো মেয়ের সাথে কথা বলতে চাই না, সেক্ষেত্রে করণীয় টা কি,,,
পরের প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি চাই যে আমার নফস কে আমি নিয়ন্ত্রণ করতে, কিন্তু আমাদের প্রায়ভেট বা মাদ্রাসায় কিছু মেয়েদের জন্য সেটা হয় না,, দয়া করে প্রশ্ন গুলোর উওর দিবেন ইনশাআল্লাহ
পরের প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি চাই যে আমি কোনো মেয়ের সাথে কথা বলবো না, কিন্তু মেয়েরা আমার সাথে আগে এসে কথা বলে, আমি জানি মেয়েদের সাথে কথা বলা হারাম, কিন্তু আমি কোনো মেয়ের সাথে কথা বলতে চাই না, সেক্ষেত্রে করণীয় টা কি,,,
পরের প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি চাই যে আমার নফস কে আমি নিয়ন্ত্রণ করতে, কিন্তু আমাদের প্রায়ভেট বা মাদ্রাসায় কিছু মেয়েদের জন্য সেটা হয় না,, দয়া করে প্রশ্ন গুলোর উওর দিবেন ইনশাআল্লাহ
উত্তর
Published
পাপ থেকে বাঁচার অন্যতম উপায় হলো পাপের পরিবেশ বর্জন করা এবং পাপের উপকরণসমূহ থেকে দূরে থাকা। আপনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়ন করবেন, যেখানে শুধু ছেলেরা পড়ে, মেয়েরা পড়ে না। যেখানে মেয়েরা প্রাইভেট পড়ে সেখানে আপনি প্রাইভেট পড়বেন না। যে পড়াশোনা আপনি করছেন তার চেয়ে অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ পাপ থেকে বেঁচে থাকা। যদি পড়াশোনা করার কারণে এভাবে অব্যাহত পাপ হতে থাকে তাহলে এই পড়াশোনা বাদ দেয়া ফরজ।
যে পরিবেশে গেলে পাপ হয় সেসব জায়গায় যাবেন না। যেখানে ভাল কাজ হয় সেখানে থাকবেন। পাপের অন্যতম উপকরণ হলো মোবাইল, সুতরাং পাপ থকে বাঁচতে এ্যান্ড্রুয়েড ফোন সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে। গান-বাজনা, ছেলে-মেয়েরা একসাথে থাকে এমন সকল অনুষ্ঠানে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। সকল ফরজ-ওয়াজিব ইবাদতগুলো নিয়মিত পালন করবেন। আর স্থানীয় একজন আলেমের সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে তুলবেন, তার সাথে পরামর্শ করে সব কাজ করবেন।
যে পরিবেশে গেলে পাপ হয় সেসব জায়গায় যাবেন না। যেখানে ভাল কাজ হয় সেখানে থাকবেন। পাপের অন্যতম উপকরণ হলো মোবাইল, সুতরাং পাপ থকে বাঁচতে এ্যান্ড্রুয়েড ফোন সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে। গান-বাজনা, ছেলে-মেয়েরা একসাথে থাকে এমন সকল অনুষ্ঠানে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। সকল ফরজ-ওয়াজিব ইবাদতগুলো নিয়মিত পালন করবেন। আর স্থানীয় একজন আলেমের সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে তুলবেন, তার সাথে পরামর্শ করে সব কাজ করবেন।