QA As Sunnah Q&A

আস-সালামু আলায়কুম, আমরা জানি মীযানের পাল্লায় আমাদের আমলনামা ওজন করা হবে এবং ভারী পাল্লা অনুশারে আমাদের জাহান্নাম জান্নাত নির্ধারিত হবে। কাফেরদের কি মীযানের পাল্লায় ওঠানো হবে? মুসলিম অমুসলিম …

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
জান্নাত-জাহান্নাম • প্রশ্ন #৬৮৯৮ • ভিউ: ৩২ • ২৫ এপ্রিল, ২০২৪

আস-সালামু আলায়কুম, আমরা জানি মীযানের পাল্লায় আমাদের আমলনামা ওজন করা হবে এবং ভারী পাল্লা অনুশারে আমাদের জাহান্নাম জান্নাত নির্ধারিত হবে। কাফেরদের কি মীযানের পাল্লায় ওঠানো হবে? মুসলিম অমুসলিম …

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলায়কুম, আমরা জানি মীযানের পাল্লায় আমাদের আমলনামা ওজন করা হবে এবং ভারী পাল্লা অনুশারে আমাদের জাহান্নাম জান্নাত নির্ধারিত হবে। কাফেরদের কি মীযানের পাল্লায় ওঠানো হবে? মুসলিম অমুসলিম উভয়েরই যদি খারাপ পাল্লা ভারী হয় তাহলে কি সে চিরস্থায়ী জাহান্নামী?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কাফেরদের সকল নেক আমল নষ্ট হয়ে যাবে ঈমান না থাকার কারণে, কিয়ামতের দিন কোন কাজে আসবে না। সুতরাং তাদের জন্য মিজানের দরকার নেই। এটাই আলেমদের বৃহত অংশের অভিমত।  কোন কোন আলেম বলেছেন, তাদেরকেও মিজানের পাল্লায় মাপা হবে, যদিও তাদের কোন নেক আমল থাকবে না। বিস্তারিত জানতে পড়ুন:  https://shamela.ws/book/7734/245

মুসলিমদের আমল মাপা হবে। তাদের পাপের পাল্লা ভারী হলে চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামে যাবে না। শাস্তি শেষ হলে এক সময় জান্নাতে প্রবেশ করবে।

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ - وَاللَّفْظُ لأَبِي كُرَيْبٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبِيدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنِّي لأَعْرِفُ آخِرَ أَهْلِ النَّارِ خُرُوجًا مِنَ النَّارِ رَجُلٌ يَخْرُجُ مِنْهَا زَحْفًا فَيُقَالُ لَهُ انْطَلِقْ فَادْخُلِ الْجَنَّةَ - قَالَ - فَيَذْهَبُ فَيَدْخُلُ الْجَنَّةَ فَيَجِدُ النَّاسَ قَدْ أَخَذُوا الْمَنَازِلَ فَيُقَالُ لَهُ أَتَذْكُرُ الزَّمَانَ الَّذِي كُنْتَ فِيهِ فَيَقُولُ نَعَمْ . فَيُقَالُ لَهُ تَمَنَّ . فَيَتَمَنَّى فَيُقَالُ لَهُ لَكَ الَّذِي تَمَنَّيْتَ وَعَشَرَةُ أَضْعَافِ الدُّنْيَا - قَالَ - فَيَقُولُ أَتَسْخَرُ بِي وَأَنْتَ الْمَلِكُ " قَالَ فَلَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ضَحِكَ حَتَّى بَدَتْ نَوَاجِذُهُ .

আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... ’আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জাহান্নাম থেকে সর্বশেষ বের হয়ে আসা লোকটিকে অবশ্যই আমি জানি। সে হেঁচড়িয়ে হেঁচড়িয়ে জাহান্নাম থেকে বেরিয়ে আসবে। তারপর তাকে বলা হবে, যাও জান্নাতে প্রবেশ কর। সে গিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করে লোকদেরকে দেখতে পাবে যে, তারা পূর্বেই জান্নাতের সকল স্থান দখল করে রেখেছে। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তোমার কি পূর্বকালের কথা (জাহান্নামের) স্মরণ আছে? সে বলবে, হ্যাঁ! তাকে বলা হবেঃ তুমি কামনা কর। সে তখন কামনা করবে। তখন তাকে বলা হবে, যাও, তোমার আশা পূর্ণ করলাম। সেই সাথে পৃথিবীর আরো দশগুণ বেশি প্রদান করলাম। লোকটি বলবে, আপনি সর্বশক্তিমান প্ৰভু! আর আপনি আমার সাথে তামাশা করছেন? সাহাবা বলেন, এ কথাটি বলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এত হাসলেন যে, তার মাড়ির দাঁত প্রকাশিত হয়ে গেল। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৮৬