ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
প্রশ্ন বিস্তারিত
ব্যাভিচার থেকে বাঁচার প্রয়োগিক উপায় কি? শুধু চোখের জেনা করার দ্বারা কি একজন মানুষ ইসলাম ধর্মে খারাপ চরিত্রের ছেলে হিসেবে গণ্য হবে?
উত্তর
Published
গুনাহ থেকে বাঁচার প্রাথমিক উপায় হলো গুনাহের পরিবেশ বর্জন করা। সুতরাং যে সব জিনিস ব্যাভিচারের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে সেগুলো বর্জন করতে হবে। যেমন, নাটক, সিনেমা এগুলো বর্জন করতে হবে। নন মাহরাম মহিলাদের সাথে সব ধরণের দেখা-সাক্ষাৎ, কথা-বার্তা ছেড়ে দিতে হবে। এ্যান্ড্রুয়েড মোবাইলের কারণেও বহু মানুষ ব্যাভিচারে লিপ্ত হচ্ছে, সুতরাং এটার ব্যবহারও বাদ দিতে হবে অথাব নিয়ন্ত্রিত হতে হবে।
যদি বিবাহ করার নুন্যতম সামর্থ থাকে তাহলে বিয়ে করে ফেলতে হবে। কুরআনে ব্যাভিচারের কাছে যেতে নিষেধ করা হয়েছে, চোখের হেফাজত করতে বলা হয়েছে, চোখের গুনাহ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। সুতরাং চোখের গুনাহে লিপ্ত থাকা মানুষ গুনাহগার হিসেবে বিবেচিত হবে।
খারাপ সঙ্গ ত্যাগ করা গুনাহ থেকে বাঁচার অন্যত উপায়। তাই ভাল মানুষদের সাথে বন্ধুত্ব রাখতে হবে, তাদের সাথে চলাফেরা করতে হবে।
সকল ফরজ ইবাদত যথা সময়ে যথা নিয়মে করবেন, আল্লাহ তায়ালার কাছে গুনাহ থেকে মুক্ত থাকার জন্য সর্বদা দুআ করবেন।
যদি বিবাহ করার নুন্যতম সামর্থ থাকে তাহলে বিয়ে করে ফেলতে হবে। কুরআনে ব্যাভিচারের কাছে যেতে নিষেধ করা হয়েছে, চোখের হেফাজত করতে বলা হয়েছে, চোখের গুনাহ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। সুতরাং চোখের গুনাহে লিপ্ত থাকা মানুষ গুনাহগার হিসেবে বিবেচিত হবে।
খারাপ সঙ্গ ত্যাগ করা গুনাহ থেকে বাঁচার অন্যত উপায়। তাই ভাল মানুষদের সাথে বন্ধুত্ব রাখতে হবে, তাদের সাথে চলাফেরা করতে হবে।
সকল ফরজ ইবাদত যথা সময়ে যথা নিয়মে করবেন, আল্লাহ তায়ালার কাছে গুনাহ থেকে মুক্ত থাকার জন্য সর্বদা দুআ করবেন।