ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম আমি একজন মেয়ে। আমি একটি ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগ থেকে বি.ফার্ম সম্পন্ন করেছি। আমার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী। আমার বড় ভাইয়া একটু কম বুঝেন। বাবার প্রায় সব টাকা…
প্রশ্নকারী: Ahmedriyan645
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম
আমি একজন মেয়ে। আমি একটি ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগ থেকে বি.ফার্ম সম্পন্ন করেছি। আমার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী। আমার বড় ভাইয়া একটু কম বুঝেন। বাবার প্রায় সব টাকা ভাইয়া তার ব্যবসায় খরচ করে ফেলেন। ভাইয়ার একটু সমস্যা থাকার জন্য ব্যবসায় শুধু লস হয়। এদিকে আমার বাবা, মা দুইজনই অসুস্থ। তাদের প্রতি মাসেই প্রায় ১০ হাজার টাকার ওষুধ লাগে। এই অবস্থায় আমার মা চান আমি যেনো চাকরি করে ভাইয়াকে কিছুটা সাপোর্ট করি। আমি একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ডাক্তারের সহযোগী হিসেবে কাজ করি। আমার মা আমাকে প্রাইভেট ভার্সিটিতে মাস্টার্স করাতে চান শুনে আমার একজন কলিগ বললেন, আমার পরিবারের যেহেতু আমাকে মাস্টার্স করানোর সামর্থ্য আছে, তাহলে আমার এখানে চাকরি করাটা জায়েজ হবে না। ইসলামে ইনকাম করার দায়িত্ব নাকি শুধু পুরুষের। এখানে আমার পুরুষ/মহিলা ডাক্তারের সাথে পুরুষ/মহিলা রুগী দেখতে হয়। এখানে কাজ করার নির্দিষ্ট পোষাক থাকায় আমি বোরখা/হিজাব পড়তে পারি না। জামার ওপর অ্যাপ্রন পড়ে মুখে মাস্ক দিয়ে কাজ করতে হয়। এখন আমার প্রশ্ন হলো,
১. এখানে চাকরি করা কি আমার জন্য জায়েজ হবে?
২. যদি জায়েজ না হয় তাহলে কি রকম পরিবেশে চাকরি করা মেয়েদের জন্য জায়েজ হবে?
আমি একজন মেয়ে। আমি একটি ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগ থেকে বি.ফার্ম সম্পন্ন করেছি। আমার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী। আমার বড় ভাইয়া একটু কম বুঝেন। বাবার প্রায় সব টাকা ভাইয়া তার ব্যবসায় খরচ করে ফেলেন। ভাইয়ার একটু সমস্যা থাকার জন্য ব্যবসায় শুধু লস হয়। এদিকে আমার বাবা, মা দুইজনই অসুস্থ। তাদের প্রতি মাসেই প্রায় ১০ হাজার টাকার ওষুধ লাগে। এই অবস্থায় আমার মা চান আমি যেনো চাকরি করে ভাইয়াকে কিছুটা সাপোর্ট করি। আমি একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ডাক্তারের সহযোগী হিসেবে কাজ করি। আমার মা আমাকে প্রাইভেট ভার্সিটিতে মাস্টার্স করাতে চান শুনে আমার একজন কলিগ বললেন, আমার পরিবারের যেহেতু আমাকে মাস্টার্স করানোর সামর্থ্য আছে, তাহলে আমার এখানে চাকরি করাটা জায়েজ হবে না। ইসলামে ইনকাম করার দায়িত্ব নাকি শুধু পুরুষের। এখানে আমার পুরুষ/মহিলা ডাক্তারের সাথে পুরুষ/মহিলা রুগী দেখতে হয়। এখানে কাজ করার নির্দিষ্ট পোষাক থাকায় আমি বোরখা/হিজাব পড়তে পারি না। জামার ওপর অ্যাপ্রন পড়ে মুখে মাস্ক দিয়ে কাজ করতে হয়। এখন আমার প্রশ্ন হলো,
১. এখানে চাকরি করা কি আমার জন্য জায়েজ হবে?
২. যদি জায়েজ না হয় তাহলে কি রকম পরিবেশে চাকরি করা মেয়েদের জন্য জায়েজ হবে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এখন আপনার উচিত বিবাহ করে সংসারী হওয়া। সেখান থেকে যতটুকু পারেন বাবা-মায়ে সাপোর্ট করবেন। পুরুষ-মহিলা একসাথে থেকে চাকুরী করার কোন সুযোগ নেই। ইসলামে উপার্জনের দায়িত্ব পুরুষের এটা ঠিক, তবে মহিলারা যদি তাদের নিজস্ব দায়িত্ব পালন করর পর সময় বের করে উপার্জন করে তাহলে সেটা নিষিদ্ধ নয়। ভাইকে একটু থামান, সে যেন বাবার টাকা নষ্ট না করে তার ব্যবস্থা করুন। যেহেতু সে ব্যবসা বোঝে না, তার ব্যবসা করার দরকার নেই। তার জন্য উপযোগী কোন চাকুরীর ব্যবস্থা করুন।।
আর আপনার বাবাকে বলুন যেন তারা দ্রুত আপনার বিবাহের ব্যবস্থা করেন, নয়তো সময় চলে গেলে এই সমস্যাটাও প্রকট হয়ে সামনে আসবে। তখন আরো বিপদে পড়ে যাবেন।
স্বামীর উপার্জনে যদি সংসার চলতে সমস্যা হয়, তাহলে স্বামীর অনুমতিতে পূর্ন পর্দার পরিবেশে মহিলারা চাকুরী বা কাজ করতে পারে। স্বামীর অনুমতি ছাড়া মহিলাদের চাকুরী জায়েজ নেই।
আর আপনার বাবাকে বলুন যেন তারা দ্রুত আপনার বিবাহের ব্যবস্থা করেন, নয়তো সময় চলে গেলে এই সমস্যাটাও প্রকট হয়ে সামনে আসবে। তখন আরো বিপদে পড়ে যাবেন।
স্বামীর উপার্জনে যদি সংসার চলতে সমস্যা হয়, তাহলে স্বামীর অনুমতিতে পূর্ন পর্দার পরিবেশে মহিলারা চাকুরী বা কাজ করতে পারে। স্বামীর অনুমতি ছাড়া মহিলাদের চাকুরী জায়েজ নেই।