ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস--সালামু আলাইকুম শাঈখ। আমি খুব বাজে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমার ফ্যামিলির সবাই উচ্চশিক্ষিত। বিশেষ করে আমার বাবা। কিন্তু ছোটোবেলা থেকেই দেখে আসছি তিনি আমার মাকে অমা…
প্রশ্নকারী: Mohammedtauhidulislam499
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস--সালামু আলাইকুম শাঈখ। আমি খুব বাজে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমার ফ্যামিলির সবাই উচ্চশিক্ষিত। বিশেষ করে আমার বাবা। কিন্তু ছোটোবেলা থেকেই দেখে আসছি তিনি আমার মাকে অমানষিক নির্যাতন করে। তার অন্য মহিলাদের সাথে আগে সম্পর্ক ছিলো। তার পূর্বইতিহাসও খুব বাজে। উচ্চশিক্ষিত হওয়ায় কারো কথাই কানে নেন না। আমি এবং যে কেউ এমনকি তার নিজের বাবা তাকে কোনো সৎ উপদেশ দিলে বা বুঝালে উনি বুঝেন না বরং নিজেকেই শুদ্ধ মনে করেন এবং গলাবাজিসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এমতাবস্থায় আমি বুঝালে বা ভালো কথা বললে আমার সাথে কথা কাটাকাটি হয় এবং আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ও আমার সাথে কথা বলেন না। একজন আলেম এবং আরেকজন ডাক্তারের কাছে পরামর্শ চাইলে তারা বলেন যে তার নাকি মানসিক সমস্যা। আর এই সমস্যার ট্রিটমেন্ট বাংলাদেশের কোনো মনোরগ বিশেষজ্ঞ করতে পারবেন না। কেননা উনি নিজেকে শুদ্ধ ও সবার উর্ধ্বে মনে করেন।
উনি পরিবারের কোনো দায়িত্ব পালন করেন না। শুধু টাকা ঢালেন এবং নিজেও খুব বেহিসাবি। পরিবারে টাকা দিয়ে নিজেকে মহাদায়িত্বশীল ভাবেন। কিন্তু পরিবারকে সময়ও দেন না। পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তাকে ট্রিটমেন্টও করান না এবং আমরা তিন ভাই। তাকে বাবা পরিচয় দিতেও লজ্জা হয়।
এখন আমার প্রশ্ন:১। তাকে বুঝাতে গেলে যে কথা কাটাকাটি হয়ে কয়েক মাস আমাদের ভাইদের সাথে কথা বলে না। তাতে কি আমরা জাহান্নামী হবো? বা ইবাদত কি কবুল হবে না?
২. শুনতে খারাপ হলেও বলি তার এই অমানষিক নির্যাতন থেকে বাঁচতে তার জন্য অনেক হেদায়েতের দোয়া করেছি । উনি হেদায়েত হন না। বরং বুরো বয়সেও কুকাজে লিপ্ত। নামাজ রোজা করেন ঠিকি। কিন্তু ইসলামকে পুজি করে ভালো সাজেন। এখন তার নির্যাতন থেকে বাঁচতে কি তার প্রতি অভিশাপ বা ওনার মৃত্যু কামনা করা যাবে?
৩. তার অপকর্মের জন্য যে তাকে বাবা পরিচয় দিতেও লজ্জা হয়। এতে কি আমাদের গুন্নাহ হবে?
উনি পরিবারের কোনো দায়িত্ব পালন করেন না। শুধু টাকা ঢালেন এবং নিজেও খুব বেহিসাবি। পরিবারে টাকা দিয়ে নিজেকে মহাদায়িত্বশীল ভাবেন। কিন্তু পরিবারকে সময়ও দেন না। পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তাকে ট্রিটমেন্টও করান না এবং আমরা তিন ভাই। তাকে বাবা পরিচয় দিতেও লজ্জা হয়।
এখন আমার প্রশ্ন:১। তাকে বুঝাতে গেলে যে কথা কাটাকাটি হয়ে কয়েক মাস আমাদের ভাইদের সাথে কথা বলে না। তাতে কি আমরা জাহান্নামী হবো? বা ইবাদত কি কবুল হবে না?
২. শুনতে খারাপ হলেও বলি তার এই অমানষিক নির্যাতন থেকে বাঁচতে তার জন্য অনেক হেদায়েতের দোয়া করেছি । উনি হেদায়েত হন না। বরং বুরো বয়সেও কুকাজে লিপ্ত। নামাজ রোজা করেন ঠিকি। কিন্তু ইসলামকে পুজি করে ভালো সাজেন। এখন তার নির্যাতন থেকে বাঁচতে কি তার প্রতি অভিশাপ বা ওনার মৃত্যু কামনা করা যাবে?
৩. তার অপকর্মের জন্য যে তাকে বাবা পরিচয় দিতেও লজ্জা হয়। এতে কি আমাদের গুন্নাহ হবে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। তার সাথে প্রয়োজনীয় কথা বলবেন। তিনি অপছন্দ করেন সে ধরণের কোন কথা আপনারা তার সাথে বলবেন না। একদম কথা না বলে থাকবেন না। তিনি পছন্দ করেন এমন কথা বলবেন।
সংসারের প্রয়োজনীয় টাকা যেহেতু তিনি দিচ্ছেন তাই চিকিৎসাসহ অন্যান্য কাজগুলো আপনারা করবেন।
পৃথিবীর সব মানুষ আপনি যেমন ভাল চাচ্ছেন তেমন হবে না। সুতরাং তার সাথে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করুন।
তার মৃত্যু হলে তো আপনারা আরো খারাপ অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যে পড়বেন। তার মৃত্যু কেন কামন করবেন? তিনি তো আপনাদের এমন কোন সমস্যা করছেন বলে মনে হয় না, যার কারণে তার মৃত্যু হওয়া দরকার। তার ব্যবহার খারাপ, আপনারা তার সাথে ঝামেলা করবেন না। তাহলেই সব ঠিক থাকবে।
পিতার পরিচয় তো অবশ্যই দিতে হবে। পিতা ছাড়া তো আর থাকে যাবে না। যেখানে পিতার পরিচয় দেয়া প্রয়োজন অবশ্যই পরিচয় দিবেন।
পূর্বের ভুল-ভ্রান্তির জন্য আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা চাইবেন। সবার জন্য সব সময় দুআ করবেন।
সংসারের প্রয়োজনীয় টাকা যেহেতু তিনি দিচ্ছেন তাই চিকিৎসাসহ অন্যান্য কাজগুলো আপনারা করবেন।
পৃথিবীর সব মানুষ আপনি যেমন ভাল চাচ্ছেন তেমন হবে না। সুতরাং তার সাথে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করুন।
তার মৃত্যু হলে তো আপনারা আরো খারাপ অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যে পড়বেন। তার মৃত্যু কেন কামন করবেন? তিনি তো আপনাদের এমন কোন সমস্যা করছেন বলে মনে হয় না, যার কারণে তার মৃত্যু হওয়া দরকার। তার ব্যবহার খারাপ, আপনারা তার সাথে ঝামেলা করবেন না। তাহলেই সব ঠিক থাকবে।
পিতার পরিচয় তো অবশ্যই দিতে হবে। পিতা ছাড়া তো আর থাকে যাবে না। যেখানে পিতার পরিচয় দেয়া প্রয়োজন অবশ্যই পরিচয় দিবেন।
পূর্বের ভুল-ভ্রান্তির জন্য আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা চাইবেন। সবার জন্য সব সময় দুআ করবেন।