ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম। যারা প্রবাসে সুপার মলে কাজ করেন বা বিভিন্ন দোকানে। দেখা গেছে ঐসব দোকানে বিভিন্ন হারাম জিনিস আছে উদাহরণ সরূপ : সিগারেট, বা বিভিন্ন ইহুদি পন্য... যা প্রবাসীরা বিক্রি করতেছেন…
প্রশ্নকারী: Sadiaakther094
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম। যারা প্রবাসে সুপার মলে কাজ করেন বা বিভিন্ন দোকানে। দেখা গেছে ঐসব দোকানে বিভিন্ন হারাম জিনিস আছে উদাহরণ সরূপ : সিগারেট, বা বিভিন্ন ইহুদি পন্য...
যা প্রবাসীরা বিক্রি করতেছেন। তাহলে কি তাদের এই উপার্জনটা হালাল হবে ।
যেমন সাউথ আফ্রিকায় যারা দোকানে কাজ করে থাকেন তাদের মালিকের দোকানে অনেক ইসলামে নিষিদ্ধ পন্য থাকতে পারে যা হারাম জানা স্বত্তেও কর্মচারী বলে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্লিজ একটু জানাবেন এই উপার্জন টা কি হালাল হবে যেহেতু একজন প্রবাসী নিজের দোকান অন্যের দোকানের কর্মচারী ইচ্ছে থাকা স্বত্তেও বয়কট করা যাচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে একজন প্রবাসীর করনীয় কি??
যা প্রবাসীরা বিক্রি করতেছেন। তাহলে কি তাদের এই উপার্জনটা হালাল হবে ।
যেমন সাউথ আফ্রিকায় যারা দোকানে কাজ করে থাকেন তাদের মালিকের দোকানে অনেক ইসলামে নিষিদ্ধ পন্য থাকতে পারে যা হারাম জানা স্বত্তেও কর্মচারী বলে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্লিজ একটু জানাবেন এই উপার্জন টা কি হালাল হবে যেহেতু একজন প্রবাসী নিজের দোকান অন্যের দোকানের কর্মচারী ইচ্ছে থাকা স্বত্তেও বয়কট করা যাচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে একজন প্রবাসীর করনীয় কি??
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ইসলামে নিষিদ্ধ এমন পণ্য বিক্রি করা জায়েজ নয়। কর্মচারী হয়েও সে পণ্য বিক্রি করা যাবে না, মালিক হয়েও না। সুতরাং এমন কাজ খুঁজতে হবে যেখানে এই হারাম পণ্য বিক্রি করতে হয় না। দুনিয়াতে রিযিকের ব্যবস্থা আল্লাহ করবেন, এই বিশ্বাস রেখে সকল হারাম থেকে বিরত হতে হবে। যারা এই কাজে যুক্ত আছেন দ্রুত তাদেরকে সরে আসতে হবে। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন,(ولا تعاونوا على الإثم والعدوان) মন্দকর্ম ও সীমালংঘনের কাজে তোমরা একে অপরকে সহযোগিতা করো না। সূরা মায়েদা, আয়াত নং ২।