ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। আমার সামনে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষা। আমি একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় কিন্তু আমার ইদানীং শুধু মনে ঘুরতে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশে যদি খারাপ হয়ে যায়…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। আমার সামনে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষা। আমি একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় কিন্তু আমার ইদানীং শুধু মনে ঘুরতে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশে যদি খারাপ হয়ে যায় পাপ করে ফেলি নাস্তিক হয়ে যায়। এসব চিন্তা চলতে থাকে এটা কি নিছকই শয়তানের ওয়াসওয়াসা। এসব চিন্তাই সারাদিন বিভোর থাকি কোন কাজই করতে পারিনা খুবই হতাশ লাগে বাবা মা আমার জন্য কষ্ট করে আমার পড়ালেখার জন্য কিন্তু এসব চিন্তাই পড়া লেখায় মনোযোগ দিতে পারি না। আমার কি করা উচিত?
2. আমি এ বিষয়টির মূলনীতিসম্পর্কে জানতে চায়। একটি হারাম কাজের জন্য কি আরেকটি হালাল বষয়ও হারাম হয়ে যায়। যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের কারণে বা পড়াকালে যদি কোন পাপে জড়িয়ে যায় তাহলে কেবল সেই পাপটিই ছাড়তে হবে নকি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াও নাজায়েজ হয়ে যাবে? মূলনিতীটি জানতে চায়। আমার কি এসব চিন্তা বাদ দিয়ে এখন পড়া লেখা করা উচিত?
2. আমি এ বিষয়টির মূলনীতিসম্পর্কে জানতে চায়। একটি হারাম কাজের জন্য কি আরেকটি হালাল বষয়ও হারাম হয়ে যায়। যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের কারণে বা পড়াকালে যদি কোন পাপে জড়িয়ে যায় তাহলে কেবল সেই পাপটিই ছাড়তে হবে নকি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াও নাজায়েজ হয়ে যাবে? মূলনিতীটি জানতে চায়। আমার কি এসব চিন্তা বাদ দিয়ে এখন পড়া লেখা করা উচিত?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে ব্যাভিচারের নিকটবর্তী হতে নিষেধ করেছেন। কুরআন থেকে মূলনীতি হলো “পাপ হওয়ার সম্ভবনা আছে সেখানে যাওয়া যাবে না, সেই কাজ করা যাবে না।”
সুতরাং ব্যাভিচার তথা পাপকাজ হতে পারে এমন কোন কিছু কাছে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যেমন, মোবইল থাকলে পাপকাজের সম্ভাবনা থাকলে মোবাইল ব্যবহারই করা যাবে না।
বিশ্ববিদ্যালয় পড়লে যদি পাপ কাজের সম্ভাবনা থাকে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়া যাবে না। কোন অনুষ্ঠানে যদি পাপ কাজের সম্ভাবনা থাকে তাহলে সেই অনুষ্ঠানে যাওয়া যাবে না।
বাংলাদেশে যেহেতু সহশিক্ষা ছাড়া কোন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় নেই, তাই সেখানে মন্দের ভালো হিসেবে পড়তে পারেন, যদি পাপকাজে জড়িত না হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করেন। কোন ভাবেই পাপে জড়িত হবেন না, এমন মানসিকতা নিয়ে পড়লে আল্লাহ হয়তো ক্ষমা করে দিবেন।
দ্বিতীয়ত সব সময় এই নিয়ে চিন্তা করা সুস্থ মানুষের কাজ নয়। যেটা করবেন সেটা মন দিয়ে করবেন, অযথা কোন চিন্তা করবেন না।
সুতরাং ব্যাভিচার তথা পাপকাজ হতে পারে এমন কোন কিছু কাছে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যেমন, মোবইল থাকলে পাপকাজের সম্ভাবনা থাকলে মোবাইল ব্যবহারই করা যাবে না।
বিশ্ববিদ্যালয় পড়লে যদি পাপ কাজের সম্ভাবনা থাকে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়া যাবে না। কোন অনুষ্ঠানে যদি পাপ কাজের সম্ভাবনা থাকে তাহলে সেই অনুষ্ঠানে যাওয়া যাবে না।
বাংলাদেশে যেহেতু সহশিক্ষা ছাড়া কোন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় নেই, তাই সেখানে মন্দের ভালো হিসেবে পড়তে পারেন, যদি পাপকাজে জড়িত না হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করেন। কোন ভাবেই পাপে জড়িত হবেন না, এমন মানসিকতা নিয়ে পড়লে আল্লাহ হয়তো ক্ষমা করে দিবেন।
দ্বিতীয়ত সব সময় এই নিয়ে চিন্তা করা সুস্থ মানুষের কাজ নয়। যেটা করবেন সেটা মন দিয়ে করবেন, অযথা কোন চিন্তা করবেন না।