ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আমি একটা ছোটখাট পদে কম বেতনের চাকরি করি। আমার স্ত্রী অনার্স পাশ করা। এখন সে পরিপূর্ণ পর্দা করে চলার চেষ্টা করে। কিন্তু আমার কম বেতনের কারণে মাঝে মাঝে সংসারে খুব অভাব দেখা যায়। এবং প্রায় প্রত…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমি একটা ছোটখাট পদে কম বেতনের চাকরি করি। আমার স্ত্রী অনার্স পাশ করা। এখন সে পরিপূর্ণ পর্দা করে চলার চেষ্টা করে। কিন্তু আমার কম বেতনের কারণে মাঝে মাঝে সংসারে খুব অভাব দেখা যায়। এবং প্রায় প্রতিমাসেই ধার করে চলতে হয়। এমতাবস্থায় আমার স্ত্রী যদি চাকরি করতে চায় তাহলে তো পরীক্ষা এবং ভাইবায় তার মুখ দেখাতে হবে এবং চাকরির ক্ষেত্রে ও হয়তো পরিপূর্ণ পর্দা করতে পারবে না। এজন্য আমরা একবার চিন্তা করি চাকরি না করুক। কিন্তু বেশি অভাবে পড়ে গেলে তখন মনে হয় না চাকরি করুক। এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় কি?
উত্তর
Published
পর্দা রক্ষা করা ফরজ। সুতরাং পর্দা রক্ষা করে পর্দার পরিবেশে নিরাপদ স্থানে চাকুরী করতে পারে। এর বাইরে কোন সুযোগ নেই। অভাব যেন দূর হয় সে জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করবেন। আল্লাহর হুকুম মেনে চললে এক সময় সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, ,وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا – وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ যে আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার একটা রাস্তা বের করে দিবেন। এমন উৎস থেকে রিযিক দান করবেন যা কখানো সে কল্পনাও করে নি। যে আল্লাহর উপর ভরসা করে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট। সূরা তলাক, আয়াত ২-৩। রিযিক নিয়ে বেশী চিন্তা করে শয়তানের ফাঁদে পা দিবেন না। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, ٱلشَّيْطَٰنُ يَعِدُكُمُ ٱلْفَقْرَ وَيَأْمُرُكُم بِٱلْفَحْشَآءِ ۖ وَٱللَّهُ يَعِدُكُم مَّغْفِرَةً مِّنْهُ وَفَضْلًا ۗ وَٱللَّهُ وَٰسِعٌ عَلِيمٌ শয়তান তোমাদেরকে দারিদ্রতার ভয় দেখায় এবং অশ্লীলতার আদেশ দেয় এবং আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা ও অনুগ্রহের ওয়াদা করেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সুবিজ্ঞ। সূরা বাকারাহ, আয়াত ২৬৮।
আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, ,وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا – وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ যে আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার একটা রাস্তা বের করে দিবেন। এমন উৎস থেকে রিযিক দান করবেন যা কখানো সে কল্পনাও করে নি। যে আল্লাহর উপর ভরসা করে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট। সূরা তলাক, আয়াত ২-৩। রিযিক নিয়ে বেশী চিন্তা করে শয়তানের ফাঁদে পা দিবেন না। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, ٱلشَّيْطَٰنُ يَعِدُكُمُ ٱلْفَقْرَ وَيَأْمُرُكُم بِٱلْفَحْشَآءِ ۖ وَٱللَّهُ يَعِدُكُم مَّغْفِرَةً مِّنْهُ وَفَضْلًا ۗ وَٱللَّهُ وَٰسِعٌ عَلِيمٌ শয়তান তোমাদেরকে দারিদ্রতার ভয় দেখায় এবং অশ্লীলতার আদেশ দেয় এবং আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা ও অনুগ্রহের ওয়াদা করেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সুবিজ্ঞ। সূরা বাকারাহ, আয়াত ২৬৮।