QA As Sunnah Q&A

আসসালামু আলাইকুম আমি একটি ইসলামী সংগঠন করি। আম্মু আব্বু জানে না হয়ত  জানলে করতে দিবেনা। আমি সেখানে মানুষকে নামাজ, ইসলাম ও সংগঠন নিয়ে বোঝাই  ও অসৎ কাজের নিষেধ করি । তো একদিন স্কুলে এভাবে কাজ …

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
জায়েয • প্রশ্ন #৭২০৫ • ভিউ: ২১ • ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আসসালামু আলাইকুম আমি একটি ইসলামী সংগঠন করি। আম্মু আব্বু জানে না হয়ত  জানলে করতে দিবেনা। আমি সেখানে মানুষকে নামাজ, ইসলাম ও সংগঠন নিয়ে বোঝাই  ও অসৎ কাজের নিষেধ করি । তো একদিন স্কুলে এভাবে কাজ …

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম আমি একটি ইসলামী সংগঠন করি। আম্মু আব্বু জানে না হয়ত  জানলে করতে দিবেনা। আমি সেখানে মানুষকে নামাজ, ইসলাম ও সংগঠন নিয়ে বোঝাই  ও অসৎ কাজের নিষেধ করি । তো একদিন স্কুলে এভাবে কাজ করে বাসায় আসতে দেরি হয় আব্বু জিজ্ঞেস করলে আমি তাকে বলি যে, স্যার দেরিতে ছুটি দিছে। ( যদিও বলতে খারাপ লেগেছে  আমি মিথ্যা না বলার সর্বচ্চ চেষ্টা করি ) আমাকে অনেক ভাই বলেন যে, ইসলামের জন্য মিথ্যা বললে সমস্যা নেই। তো শায়খ আমার প্রশ্ন ''ইসলামের জন্য মিথ্যা বললে সমস্যা নেই''।  উক্তিটি কি সঠিক ? আর ২য় প্রশ্ন যেহেতু আমি দ্বীনের জন্য কাজ করছি এক্ষেত্রে আব্বু আম্মু নিষেধ করলে কি করনীয়? বিঃ দ্রঃ যাতে আর মিথ্যা বলতে না হয়। তাই ঐ দিনের পর আমি আর দেরি করে বাসায় আসি না। স্কুল ছটি হলেই বাসায় চলে আসি।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, 'ইসলামের জন্য মিথ্যা বললে সমস্যা নেই'' কথাটি সঠিক নয়। ইসলাম মিথ্যার মুখাপেক্ষী নয়। আপনি যথা সময়ে বাসায় আসবেন, তাহলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ২। বাবা-মায়ের নিষেধের কারণে ইসলামী দাওয়াহ বাদ দেয়া যাবে না। তবে কৌশলী হতে হবে। অনেক বাবা-মা না বুঝে এমন করেন। তাই কৌশলে কাজ করবেন। যাতে তারা বাধা না দেন, তারা কষ্ট না পান। যখন তারা আপনকে অন্যদের থেকে আলদা দেখবেন, ভাল কাজে অগ্রগামী দেখবেন, পড়াশোনায়, আমল-আখলাকে ভাল দেখবেন, আপনি সকল ভাল বিষয়ে অন্যদের থেকে এগিয়ে, এগুলো যখন দেখবেন তখন তারা আর নিষেধ করবে না।  সুতরাং ধৈর্যের সাথে কৌশলে চলবেন। যাতে বাবা-মা নিষেধ করার সুযোগই না পায়।