QA As Sunnah Q&A

আসসালামু আলাইকুম। আমার নতুন বিয়ে হয়েছে। আমার স্বামী আলহামদুলিল্লাহ খুবই ভালো। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, নজরের হিফাজত করেন, কোন বাজে অভ্যাসও নেই। কিন্তু উনার কিছু আচরণ আমার খুবই খারাপ লাগে, যেম…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
আদব আখলাক • প্রশ্ন #৭২৬৫ • ভিউ: ৩২ • ০৩ মে, ২০২৫

আসসালামু আলাইকুম। আমার নতুন বিয়ে হয়েছে। আমার স্বামী আলহামদুলিল্লাহ খুবই ভালো। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, নজরের হিফাজত করেন, কোন বাজে অভ্যাসও নেই। কিন্তু উনার কিছু আচরণ আমার খুবই খারাপ লাগে, যেম…

প্রশ্নকারী: Rimiislam
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম।

আমার নতুন বিয়ে হয়েছে। আমার স্বামী আলহামদুলিল্লাহ খুবই ভালো। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, নজরের হিফাজত করেন, কোন বাজে অভ্যাসও নেই।
কিন্তু উনার কিছু আচরণ আমার খুবই খারাপ লাগে, যেমন উনি উনার ইন্টারমিডিয়েট পড়া বোনকে জড়িয়ে ধরেন, কোলে নেন, গালে চুমু খান, কোলবালিশে মানুষ যেমন হাত পা দিয়ে জড়িয়ে ধরে ঘুমায়, প্রায় সময় এভাবে ধরে ঘুমান, বোনও এভাবে জড়িয়ে ধরে। আমি জানি উনার কোন খারাপ নিয়ত নেই, এটা বুঝাও যায়।

আমি এটা নিয়ে কিছু বলিনি, বললে হয়তো ভুল বুঝবেন, উনার ধারণা বোন তো মাহরাম তাই এটা স্বাভাবিক।

এ ব্যাপারে শরীয়ত আসলে কি বলে, উনার এই আচরন গুলো কি ঠিক। ঠিক না হলে আমি কিভাবে বুঝিয়ে বলতে পারি ইসলামের আলোকে। উনি সব বিষয়ে যুক্তিতর্ক করেন।
দয়া করে আমাকে সাহায্য করবেন।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, তার আচরণ ঠিক নয়। এগুলো শয়তানের জাল। শয়তান এভাবে মানুষকে বিপথগামী করে। তাকে অবশ্যই এই আচরণ ত্যাগ করতে হবে। সে হয়তো শয়তানের চক্রান্ত অনুধাবণ করতে পারছে না, কিন্তু শয়তান মানুষকে এভাবেই বিপদে ফেলে।
عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم " مُرُوا أَوْلَادَكُمْ بِالصَّلَاةِ وَهُمْ أَبْنَاءُ سَبْعِ سِنِينَ وَاضْرِبُوهُمْ عَلَيْهَا وَهُمْ أَبْنَاءُ عَشْرِ سِنِينَ وَفَرِّقُوا بَيْنَهُمْ فِي الْمَضَاجِعِ "
 ’আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের সন্তানদের বয়স সাত বছর হলে তাদেরকে সালাতের জন্য নির্দেশ দাও। যখন তাদের বয়স দশ বছর হয়ে যাবে তখন (সালাত আদায় না করলে) এজন্য তাদেরকে মারবে এবং তাদের ঘুমের বিছানা আলাদা করে দিবে। সুনানু আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৯৫। হাদীসটি হাসান।
সুতরাং এই বয়সের ভাইবোনের একসাথে শোয়া বা কোলে নেয়ার কোন সুযোগ নেই।
এমনকি দুই ভাই বা দুই বোনেরও একত্রে এক কাপড়ের নীচে থাকার কোন সুযোগ নেই।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَنْظُرُ الرَّجُلُ إِلَى عَوْرَةِ الرَّجُلِ وَلَا الْمَرْأَةُ إِلَى عَوْرَةِ الْمَرْأَةِ وَلَا يُفْضِي الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ وَلَا تُفْضِي الْمَرْأَةُ إِلَى الْمَرْأَةِ فِي ثوب وَاحِد
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো পুরুষ যেন অপর পুরুষের এবং কোনো নারী যেন অপর নারীর সতর (লজ্জাস্থান) না দেখে। আর কোনো পুরুষ যেন অপর পুরুষের সাথে এক কাপড়ের নিচে না ঘুমায় (পৌঁছে)। আর কোনো নারীও যেন অপর নারীর সাথে এক কাপড়ের নিচে না থাকে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৩৮।
 এইসব হাদীস থেকে বুঝা যায় আপনার স্বামীর কাজ-কর্ম
 শরীয়াহ অনুমোদিত নয়।