QA As Sunnah Q&A

আসসালামু আলাইকুম। খতম তারাবীহর নামে দেশে মসজিদগুলোতে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কুরআন তিলাওয়াত করা হয়। এক্ষেত্রে মুসল্লি হিসেবে যদি কিছু না বলি তাহলে কি আমাদের গুনাহ হবে? আমি সাধারণত এরকম পরিস্থিতি…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
তারাবীহ • প্রশ্ন #৭২৮৫ • ভিউ: ৩৩ • ১৮ মে, ২০২৫

আসসালামু আলাইকুম। খতম তারাবীহর নামে দেশে মসজিদগুলোতে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কুরআন তিলাওয়াত করা হয়। এক্ষেত্রে মুসল্লি হিসেবে যদি কিছু না বলি তাহলে কি আমাদের গুনাহ হবে? আমি সাধারণত এরকম পরিস্থিতি…

প্রশ্নকারী: Saminchowdhury07
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। খতম তারাবীহর নামে দেশে মসজিদগুলোতে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কুরআন তিলাওয়াত করা হয়। এক্ষেত্রে মুসল্লি হিসেবে যদি কিছু না বলি তাহলে কি আমাদের গুনাহ হবে? আমি সাধারণত এরকম পরিস্থিতিতে ইমাম বা মসজিদ কমিটির কাউকে কিছু না বলে অন্যত্র কোনো মসজিদে সালাত আদায় করার চেষ্টা করি। সেক্ষেত্রে মসজিদ দূর হওয়ায় মাঝে মাঝে এই মসজিদেও সালাত আদায় করতে হয়। এখন কিছু না বলার কারণে কি আমার গুনাহ হবে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। সুযোগ থাকলে বলবেন, যদি তারা সাবধাণ হয়, তাহলে সবার জন্য ভালো হবে। আপনারও সওয়াব হবে। যদি আপনার বলার দ্বারা ভালো মানের তারাবী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি বলবেন।

আর যদি বলার কারণে আপনি কোন অনকাংখিত অবস্থার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা করেন, তাহলে বলার দরকার নেই।