ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম শায়েখ। মুসলিমদের জন্য স্থায়ী ভাবে অমুসলিম দেশে বসবাস করা জায়েজ নাই। কিন্তু আমি যদি ৫-৭ বছরের জন্য কোন অমুসলিম দেশে কাজ করার জন্য যাই তাহলে কি সেটা আমার জন্য জায়েজ আছে? যেমন …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম শায়েখ। মুসলিমদের জন্য স্থায়ী ভাবে অমুসলিম দেশে বসবাস করা জায়েজ নাই। কিন্তু আমি যদি ৫-৭ বছরের জন্য কোন অমুসলিম দেশে কাজ করার জন্য যাই তাহলে কি সেটা আমার জন্য জায়েজ আছে? যেমন আমি অস্ট্রেলিয়া যেতে চাই। সেখানে ৫-৭ বছর থাকার পর আমি আবার দেশে ফিরে আসতে চাই। এখন সাময়িক সময়ের জন্য যাওয়া কি জায়েজ আছে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জায়েজ আছে। তবে মুসলিম দেশে বা অঞ্চলে কাজের সুযোগ থাকলে অমুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশে বা অঞ্চলে কাজ করতে না যাওয়া উত্তম। কারণ অমুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশে বা অঞ্চলে যথাযথভাবে ইসলাম ধর্ম পালন করা সম্ভব হয় না। যেমন, সুবিধামত স্থানে মসজিদ থাকে না, নামাযের সময় পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় না বা সময়মত নামাযের সুযোগ থাকে না, হালাল খাবার সংগ্রহ করতে সমস্যা হয়, অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব ইত্যাদি।