ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আমার আর আমার স্ত্রীর মাঝে কথা কাটাকাটি হয়, এক পর্যায়ে তালাক সম্পর্কেও বিভিন্ন কথা হয়। পরবর্তীতে এর মাসালা জানতে দাবি করলে তার বক্তব্যে ওই দিনের ঘটনা সম্পর্কে কিছুটা ভিন্নতা পাওয়া যায়। স…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমার আর আমার স্ত্রীর মাঝে কথা কাটাকাটি হয়, এক পর্যায়ে তালাক সম্পর্কেও বিভিন্ন কথা হয়। পরবর্তীতে এর মাসালা জানতে দাবি করলে তার বক্তব্যে ওই দিনের ঘটনা সম্পর্কে কিছুটা ভিন্নতা পাওয়া যায়।
স্বামীর বক্তব্য
ঐদিন রাতের ঘটনা হচ্ছে, আমি তার সাথে অভিমান করে ছিলাম। রাগ করে বালিশগুলো নিচে ফেলে দিই। বলি ও যেন নিচে ঘুমায়। এর মধ্যে ও অযু করে আসে নামায পড়ার জন্য। রুমে এসি ছাড়া ছিল। ও বলল ঠান্ডা লাগছে এসি বন্ধ করেন। আমি বললাম আমার এসি আমি চাইলে বন্ধ করব না চাইলে করব না। তখন সে আমার আম্মাকে ডেকে আনে। রুম ঠান্ডা হওয়ার পরও কেন এসি চালু রেখেছি সে জন্য আম্মা আমাকে কিছু ধমক দেয় এরপর আমিও আম্মুর সাথে একটু রাগ দেখাই পরে আম্মু চলে যান। এরপর ও ওর মতো ফ্লোরে শুয়ে আছে আর আমি বিছানায় শুয়ে আছি। হঠাৎ করে সে ওঠে নামায পড়ার জন্য লাইট জ্বালায়। ২/৩ মিনিট পর আমি বলি লাইট বন্ধ করো, আমি ঘুমাব। সে বলল লাইট অফ করে আমি নামায পড়তে পারব না। এ বলে সে জায়নামাযে এসে বসে তখন আমি শুয়ে ছিলাম পরে উঠে বসি এরপর আমি তাহাকে বলি কালকেই তুই তোর বাসায় যাবি গাঠ্রি গোছলা গোছা। তখন সে বলল আমাকে তালাক দিয়ে দেন আমি চলে যাই। তখন আমি বলি আচ্ছা ঠিক আছে আগামীকাল যদি তুমি তোমার মায়ের বাসায় চলে যাও তাহলে আমার পক্ষ থেকে তালাক হয়ে যাবে। আমাদের মাঝে যখন এ ধরণের কথা চলে তখন আম্মা কিছুটা শুনে রুমের দিকে এগিয়ে এসে বলে, এই কি হইসে তোরা চিল্লাচিল্লি করতেছস কেন ? তখন আম্মুর সামনে আমি আবার বলেছি ও আগামীকাল ওর মায়ের বাড়িতে গেলে আমার পক্ষ থেকে তালাক হয়ে যাবে তারপর আম্মা এক দুই কথা বলে চলে যান। এবং আমরা যার যার মতো ঘুমিয়ে যাই আমাদের মাঝে আর কোন কথা হয়নি। এবং পরের দিন তাকে আর যেতে দিইনি।
আমার মা আমার পক্ষে সাক্ষি আছেন। আমি কসম করে বলতে পারব যে আমি আমার বর্ণনায় সত্যবাদী। আমি এর অতিরিক্ত কিছু বলেছি বলে যদি আমার স্ত্রী দাবি করে তাহলে তা আমার ওপর অপবাদ হবে।
স্ত্রীর বক্তব্য
আসল ঘটনা হচ্ছে, আমি অযু করে এসে দেখি আমার বালিশগুলো নিচে ফেলা। এ নিয়ে তার সাথে এক দুই কথা হয়। তারপর আমি হিজাব পরে নামাযে দাড়াচ্ছি তখন সে আমাকে বলে তুই আগামীকাল তোর বাবার বাড়ি যাবি এখনই গাট্টি গোছা মায়ের বাসায় গেলে আমার পক্ষ থেকে অটোমেটিক তালাক হয়ে যাবে। তার এ কথা বলার পর আমি চুপ করেই ছিলাম। তরপর আবারো সে সেইম কথাটিই বলে
এবং বলে সকালে ওঠে যেন তোকে না দেখি। তারপর আমি ২ রাকাত সুন্নত নামায পড়লাম। তারপর বললাম প্লিজ এসিটা বন্ধ করেন। তখন সে বলল এটাকি তোর বাপের এসি ইত্যাদি। তখন আামি আম্মুকে ডেকে আনি। তখন তার আম্মা আসে এবং তাকে কিছু ধমক দেয় এবং তাদের মধ্যে কিছু কথা কটাকাটি হয় ঐসময় আগের মতো আরো ২ বার বলে যে আগামীকাল আমার মায়ের বাসায় গেলে তালাক হয়ে যাবে। তার মা চলে যাওয়ার পর সে আবার বলে তোমাকে তালাক দিলাম তুমি কালকেই তোমার মায়ের বাসায় যাবে গেলে আমার পক্ষ থেকে তালাক হয়ে যাবে এরপর সে শুয়ে যায়। আমাদের মাঝে আর কথা হয়নি। পরের দিন আমি আমার মায়ের বাসায় আসিনি থেকে যাওয়ার একটিই কারণ সে আমাকে শর্ত সাপেক্ষে তালাক দিয়েছে আমি চলে গেলে আমারই দোষ হবে তাই নিজের মানসম্মানেরর কথা ভেবে সেদিন আর আসিনি পরের দিন আসি।
এ বর্ণনার প্রতিটি অংশের ব্যপারেই আমি পূর্ণ নিশ্চিত। সন্দেহ বা ধারণাবশত এখানে আমি কোন কথা উল্লেখ করিনি।
এ অবস্থায় আমরা জানতে চাচ্ছি, আমাদের সম্পর্ক কী বহাল আছে না কি আমাদের মধ্যে তালাক হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, এটা আমাদের তৃতীয় তালাকের ঘটনা ইতিপূর্বে দুই তালাক সংঘটিত হয়েছে। দয়া করে সঠিক মাসআলা জানিয়ে বাধিত করবেন।
নিবেদক।
উত্তর টা খুব জরুরি ভাবে দরকার। আমাকে একটু জানাবেন মেহেরবানি করে।
স্বামীর বক্তব্য
ঐদিন রাতের ঘটনা হচ্ছে, আমি তার সাথে অভিমান করে ছিলাম। রাগ করে বালিশগুলো নিচে ফেলে দিই। বলি ও যেন নিচে ঘুমায়। এর মধ্যে ও অযু করে আসে নামায পড়ার জন্য। রুমে এসি ছাড়া ছিল। ও বলল ঠান্ডা লাগছে এসি বন্ধ করেন। আমি বললাম আমার এসি আমি চাইলে বন্ধ করব না চাইলে করব না। তখন সে আমার আম্মাকে ডেকে আনে। রুম ঠান্ডা হওয়ার পরও কেন এসি চালু রেখেছি সে জন্য আম্মা আমাকে কিছু ধমক দেয় এরপর আমিও আম্মুর সাথে একটু রাগ দেখাই পরে আম্মু চলে যান। এরপর ও ওর মতো ফ্লোরে শুয়ে আছে আর আমি বিছানায় শুয়ে আছি। হঠাৎ করে সে ওঠে নামায পড়ার জন্য লাইট জ্বালায়। ২/৩ মিনিট পর আমি বলি লাইট বন্ধ করো, আমি ঘুমাব। সে বলল লাইট অফ করে আমি নামায পড়তে পারব না। এ বলে সে জায়নামাযে এসে বসে তখন আমি শুয়ে ছিলাম পরে উঠে বসি এরপর আমি তাহাকে বলি কালকেই তুই তোর বাসায় যাবি গাঠ্রি গোছলা গোছা। তখন সে বলল আমাকে তালাক দিয়ে দেন আমি চলে যাই। তখন আমি বলি আচ্ছা ঠিক আছে আগামীকাল যদি তুমি তোমার মায়ের বাসায় চলে যাও তাহলে আমার পক্ষ থেকে তালাক হয়ে যাবে। আমাদের মাঝে যখন এ ধরণের কথা চলে তখন আম্মা কিছুটা শুনে রুমের দিকে এগিয়ে এসে বলে, এই কি হইসে তোরা চিল্লাচিল্লি করতেছস কেন ? তখন আম্মুর সামনে আমি আবার বলেছি ও আগামীকাল ওর মায়ের বাড়িতে গেলে আমার পক্ষ থেকে তালাক হয়ে যাবে তারপর আম্মা এক দুই কথা বলে চলে যান। এবং আমরা যার যার মতো ঘুমিয়ে যাই আমাদের মাঝে আর কোন কথা হয়নি। এবং পরের দিন তাকে আর যেতে দিইনি।
আমার মা আমার পক্ষে সাক্ষি আছেন। আমি কসম করে বলতে পারব যে আমি আমার বর্ণনায় সত্যবাদী। আমি এর অতিরিক্ত কিছু বলেছি বলে যদি আমার স্ত্রী দাবি করে তাহলে তা আমার ওপর অপবাদ হবে।
স্ত্রীর বক্তব্য
আসল ঘটনা হচ্ছে, আমি অযু করে এসে দেখি আমার বালিশগুলো নিচে ফেলা। এ নিয়ে তার সাথে এক দুই কথা হয়। তারপর আমি হিজাব পরে নামাযে দাড়াচ্ছি তখন সে আমাকে বলে তুই আগামীকাল তোর বাবার বাড়ি যাবি এখনই গাট্টি গোছা মায়ের বাসায় গেলে আমার পক্ষ থেকে অটোমেটিক তালাক হয়ে যাবে। তার এ কথা বলার পর আমি চুপ করেই ছিলাম। তরপর আবারো সে সেইম কথাটিই বলে
এবং বলে সকালে ওঠে যেন তোকে না দেখি। তারপর আমি ২ রাকাত সুন্নত নামায পড়লাম। তারপর বললাম প্লিজ এসিটা বন্ধ করেন। তখন সে বলল এটাকি তোর বাপের এসি ইত্যাদি। তখন আামি আম্মুকে ডেকে আনি। তখন তার আম্মা আসে এবং তাকে কিছু ধমক দেয় এবং তাদের মধ্যে কিছু কথা কটাকাটি হয় ঐসময় আগের মতো আরো ২ বার বলে যে আগামীকাল আমার মায়ের বাসায় গেলে তালাক হয়ে যাবে। তার মা চলে যাওয়ার পর সে আবার বলে তোমাকে তালাক দিলাম তুমি কালকেই তোমার মায়ের বাসায় যাবে গেলে আমার পক্ষ থেকে তালাক হয়ে যাবে এরপর সে শুয়ে যায়। আমাদের মাঝে আর কথা হয়নি। পরের দিন আমি আমার মায়ের বাসায় আসিনি থেকে যাওয়ার একটিই কারণ সে আমাকে শর্ত সাপেক্ষে তালাক দিয়েছে আমি চলে গেলে আমারই দোষ হবে তাই নিজের মানসম্মানেরর কথা ভেবে সেদিন আর আসিনি পরের দিন আসি।
এ বর্ণনার প্রতিটি অংশের ব্যপারেই আমি পূর্ণ নিশ্চিত। সন্দেহ বা ধারণাবশত এখানে আমি কোন কথা উল্লেখ করিনি।
এ অবস্থায় আমরা জানতে চাচ্ছি, আমাদের সম্পর্ক কী বহাল আছে না কি আমাদের মধ্যে তালাক হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, এটা আমাদের তৃতীয় তালাকের ঘটনা ইতিপূর্বে দুই তালাক সংঘটিত হয়েছে। দয়া করে সঠিক মাসআলা জানিয়ে বাধিত করবেন।
নিবেদক।
উত্তর টা খুব জরুরি ভাবে দরকার। আমাকে একটু জানাবেন মেহেরবানি করে।
উত্তর
Published
কথায় কথায় তালাক দেয়া আপনার একটি বড় ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। দুই তালাক হওয়ার পরও আবার নতুন করে তালাক মুখে উচ্চারণ করে মূলত আপনি প্রমাণ করেছেন, সংসার করার কোন যোগ্যতা আপনার নেই। বিয়ে করার উপযোগী আপনি নন। যারা আপনাকে বিয়ে দিয়েছে তার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
তবে এবার তালাক হয় নি। যদি সংসার করার নূন্যতম যোগ্যতা ও ইচ্ছা থাকে তাহলে মরার আগে কোন দিন তালাক বা এ জাতীয় শব্দ মুখে তো আনবেনই না, হৃদয়ে কল্পনাও করবেন না।
তবে এবার তালাক হয় নি। যদি সংসার করার নূন্যতম যোগ্যতা ও ইচ্ছা থাকে তাহলে মরার আগে কোন দিন তালাক বা এ জাতীয় শব্দ মুখে তো আনবেনই না, হৃদয়ে কল্পনাও করবেন না।