ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। ডাস্টবিন এ যেসব নবজাতক কে তাদের অভিভাবক ফেলে যায়,তাদের তো কোনো পরিচয় থাকে না। সেক্ষেত্রে কোনো দম্পতি (দুধ মা-বাবা হিসেবে) জন্ম সনদ ও সমাজ এ নিজেদের পরিচয় দিয়ে ঐ বাচ্চাকে ব…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। ডাস্টবিন এ যেসব নবজাতক কে তাদের অভিভাবক ফেলে যায়,তাদের তো কোনো পরিচয় থাকে না। সেক্ষেত্রে কোনো দম্পতি (দুধ মা-বাবা হিসেবে) জন্ম সনদ ও সমাজ এ নিজেদের পরিচয় দিয়ে ঐ বাচ্চাকে বড় করতে পারবে কি?? কারণ জন্ম পরিচয় ছাড়া তো বাচ্চা গুলো পথশিশু হিসেবে বেড়ে ওঠে এবং সকল সরকারি সুবিধা থেকে বণ্চিত হয়।
উত্তর
Published
বর্তমানে যেহেতু পিতা-মাতার পরিচয় ছাড়া মানুষ সকল নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকে, তাই কেউ যদি সরকারী নথিতে নিজের নাম দিয়ে সেই পিতা-মাতার পরিচয়হীন শিশুগুলোর লালন-পালনের দায়িত্ব গ্রহণ করে তাহলে জায়েজ।
ঐ শিশু পালক পিতার থেকে ওয়ারিশ হিসেবে গণ্য হবে না। এবং পালিত সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর পালনকারীর বাড়ির সবাইকে তাঁর সঙ্গে পর্দা করতে হবে। পালিত সন্তান ছেলে হলে সাবালক হওয়ার পর পালনকারী মায়ের সঙ্গে এবং মেয়ে হলে পালনকারী বাবার সঙ্গে পর্দা রক্ষা করতে হবে।
তবে পালিত সন্তান যেহেতু সাধারণত পালনকারীর বাড়িতেই থাকেন, তাই পর্দার বিধান সহজ করার জন্য দুই বছর বয়সের মধ্যে পালিত সন্তানকে দুধ পান করানোর কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে। পালক মাতা তাকে এই সময়ের মধ্যে দুধ পান করাবে। তাহলে তাদের মধ্যে দেখা সাক্ষাতে কোন অসুবিধা থাকবে না।