QA As Sunnah Q&A

আল্লাহর ৯৯ টি নাম থেকে বাচ্চার নাম রাখা

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
আকীকা • প্রশ্ন #৭৪০৬ • ভিউ: ৩৮ • ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আল্লাহর ৯৯ টি নাম থেকে বাচ্চার নাম রাখা

প্রশ্নকারী: ডা. ফেরদৌস মাহবুব
প্রশ্ন বিস্তারিত

আমার শাশুড়ি আমার বাচ্চার নাম আল্লাহর ৯৯ নাম থেকে রাখতে চান। এজন্য তিনি নাম রেখেছেন “আজিম মোহাম্মদ”। তিনি মনে করেন, আল্লাহর নামে নাম রাখলে বাচ্চার কোনো ক্ষতি হবে না। এছাড়া তিনি আরও বিশ্বাস করেন যে তাঁর দোয়ার কারণেই আমাদের ছেলে হয়েছে—কারণ আমাদের সমাজে ছেলের মূল্য অনেক বেশি। আমি বিনীতভাবে জানতে চাই—এই নামের পেছনে কী ফজিলত রয়েছে? ইসলামের দৃষ্টিতে আল্লাহর গুণবাচক নাম সরাসরি ব্যবহার করা কতটা উপযুক্ত? বাবার নামের শেষ অংশ না দিয়ে অন্য কোনো উপসর্গ বা শব্দ যোগ করা কি বেশি উত্তম হবে? এ বিষয়ে কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে দিকনির্দেশনা পেলে উপকৃত হব।

উত্তর
Published

না, কোন ফজিলত নেই। “আল্লাহর নামে নাম রাখলে বাচ্চার কোনো ক্ষতি হবে না। তাঁর দোয়ার কারণেই আমাদের ছেলে হয়েছে—কারণ আমাদের সমাজে ছেলের মূল্য অনেক বেশি।” এই সব ভিত্তিহীন বিশ্বাস। ছেলে-মেয়ে দুটোই আল্লাহর কাছে সম মর্যাদার। যে যত আল্লাহ ভীরু তার মর্যাদা আল্লাহর নিকট ততো বেশী। ছেলে মেয়ের কোন পার্থক্য নেই। আল্লাহর গুন বাচক নাম রাখতে হলে শুরুতে “আবদ” যোগ করতে হবে। যেমন আবদুল আজিম, আবদুর রহমান। বাবার নামের শেষ অংশ না দিয়ে অন্য কোনো উপসর্গ বা শব্দ যোগ করার মধ্যে উত্তমের কোন প্রশ্ন নেই। যা ইচ্ছা রাখা যাবে। “আজিম মোহাম্মদ” রাখবেন না। আব্দুল আজিম রাখবেন অথবা মুহাম্মাদ রাখবেন। এছাড়া সুন্দর অর্থবোধক যে কোন নাম রাখতে পারেন, তবে অন্য ধর্মের মানুষেরা রাখে এমন কোন নাম রাখবেন না।