গত ৯ রমজানের জুমার নামাযে ইমাম সাহেব প্রথম রাকাতে ২ টি সিজদাহ্ দিয়েছিলেন। কিন্তু তার মনে হইছিলো সে একটি সিজদাহ্ দিয়েছিলেন, এর জন্য সে ২য় রাকাতে সে ৩ টি সিজদাহ্ দিয়েছিলেন, যখনই ৩য় নং সিজদাহ্ দিবে, তখনই বেশ অনেকজন মুসলমান আল্লাহু আকবর বলে তার ভুল হয়েছে সেটা বুঝাতে গেলেও উনি সিজদাহ্ থেকে বিরত থাকেননি, এবং ইমামকে অনুসরণ করে অধিকাংশ মুসুল্লি ২ রাকাত নামাজ এ ৫টি সিজদাহ্ দিয়েছে, এবং উনি সাহু সিজদাহ দেননি। উনি বলছেন, সাহু সিজদাহ হলো ওয়াজিব এর জন্য, ওয়াজিব তরক হলে সাহু সিজদাহ দিতে পারবে, সিজদাহ্ করা ফরয, ফরয কম হলে নামায হবে না, বেশি হলে হবে। এর জন্য সে সাহু সিজদাহ দেননি। এখন আমাদের নামায কি হয়েছে, আর তার যে মন্তব্য সেটিও কি সঠিক?
ইমাম সাহেব যা বলেছেন তা সঠিক নয়। ফরজ বাদ না গিয়ে যে কোন ধরণের ভুল হলে সাজদায়ে সাহু দিতে হবে। অতিরিক্ত সাজদার কারণেও সাজদায়ে সাহু দেয়া ওয়াজিব। তবে সাজদায়ে সাহু না দিয়ে নামায শেষ করার কারণে নামায আদায় হয়েছে, নামায কাযা পড়ার প্রয়োজন নেই। ভুলে বা না জেনে সাজদায়ে সাহু না দিলেও নামায সহীহ হবে। ইমামকে অনুস্বরণ করে যারা ৫ম সাজদা দিয়েছেন তাদের নামাযও আদায় হবে, ইমামের অনুস্বরণের কারণে। যারা দেয় নি তাদের নামাযও আদায় হবে, ভুল হচ্ছে এটা নিশ্চিত জেনে তারা সাজদা থেকে বিরত থাকার কারণে। বিস্তারিত জানতে দেখুন: