আমার ইনকাম হালাল করার উপায় কী?
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ। বিজ্ঞ আলেমগণের নিকট প্রশ্ন উত্থাপণের আগে একটু বলে নিই। ( আমি পূর্বেও একটি প্রশ্ন করেছি একই বিষয় উত্থাপনে, সেটি ডিলিট করতে অনুরোধ জানাই কেননা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখতে পারিনি)
আলহামদুলিল্লাহ। আমার চাকুরির পর বিয়েও হয়। সব ভালোই চলছিল। বিয়ের তিন মাস পর অপারেশন হয় ও ক্যান্সার ধরা। এরপর থেকে বেশ কয়েকবার অপারেশন হয়। ১ বছরে ৫ বার। মা বাবার প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। এরপর আবার অসুস্থ দেখা দেয়। এবার দেশের বাইরে চিকিৎসা করার মনস্থির করি। দেশে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়ে যায় মা বাবার। বিদেশে চিকিৎসায় জমিও বিক্রি করতে হয়। বর্তমানে কিছুটা পঙ্গুত্ব ও দুর্বল শরীর আমার আলহামদুলিল্লাহ।
চাকুরিতে ছুটি নিয়েছিলাম প্রথমবার, স্ববেতনে। কিন্তু ১ বছরে যখন ৫ বার অপারেশন করতে হল তখন বারবার স্ববেতনে ছুটি নেয়া সম্ভব হয় নি। ক্যান্সারের জন্য মানবিক কারণ দেখিয়ে আমাকে বেতনভুক্ত রাখা হয়। উল্লেখ্য উপস্থিত না হয়েও বেতন গ্রহণ এবং এর বিনিময়ে কিছু টাকা প্রদান করতে হয় চাকুরিস্থল প্রধানকে। তিনি আমার বদলে সাময়িক অন্য একজকে দিয়ে আমার কাজ চালান। আর তিনিও কিছুটা পকেটে রাখেন। এমতাবস্থায় আমি দীর্ঘদিন দেশের বাইরে অবস্থান করি চিকিৎসা প্রয়োজনে এবং তখনও বেতন চালু থাকে। পরে দেশে ফিরে সে টাকা দিয়ে পরিবারের ভরণপোষণের ব্যয় হয় ও বাবার করা ঋণ দেই।
বিজ্ঞ আলেমগণের নিকট প্রশ্ন, আমার উপার্জন হালাল কি না? যে টাকা ব্যয় করে ফেলেছি সেটা তাদের জন্য হালাল কি না? আমার বেতনের সম্পূর্ণ টাকা কি হারাম হবে? উল্লেখ্য মাসের মাঝে রমজান, ঈদ ছুটি ছিল, যা সবার জন্য। কর্মদিবস ছিল না। তখনকার উৎসব ভাতা ও বেতনাদি কি হালাল হবে আমার জন্য? আমার কী করা উচিত? চাকুরি ছেড়ে দিতে রাজি আছি ইনশাআল্লাহ। আমি হালাল পথে রিজিক চাই ইনশাআল্লাহ।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি কেমন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেন, সরকারী কিনা, প্রতিষ্ঠানের প্রধান এভাবে কাউকে ছুটি দেয়ার এখতিয়ার রাখেন কিনা, প্রতিষ্ঠানের এমন কোন নিয়ম আছে কিনা এগুলা না লিখলে উত্তর দেয়া সম্ভব নয়। আপনি 01734717299 এই নাম্বারে ফোন করে আপনার উত্তর জেনে নিবেন।