QA As Sunnah Q&A

হেদায়েত

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
বিবিধ • প্রশ্ন #৭৫৫১ • ভিউ: ৩৬ • ১৬ জুলাই, ২০২৬

হেদায়েত

প্রশ্নকারী: Md Sumon Hossain Shohan
প্রশ্ন বিস্তারিত

আস সালামু আলাইকুম,

কোন মুসলিম যখন অন্যায় করে তখন আমরা অনেক সময় বলি আল্লাহ তাকে হেদায়েত দাও। এটা কি ঠিক? কারণ মুসলিম তো হেদায়াত প্রাপ্ত।  

২। সকল কিছু যদি নির্ধারিত থাকে তাহলে দুআ করার কী প্রয়োজন?

উত্তর
Published

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জ্বী, এটা বলতে সমস্যা নেই। এখানে মূলত সে যে অন্যায় কাজ করছে সে বিষয়ে আল্লাহ যেন তাকে সঠিক পথে নিয়ে আসে, অন্যায় কাজ ছেড়ে দেয় সেটা বলা উদ্দেশ্যে। অন্য ভাষায় বলা যায় পরিপূর্ণ হেদায়াত দান করার জন্য বলা হয়ে থাকে। কারণ পরিপূর্ণ হেদায়াতের দাবী হলো সকল পাপকাজ বর্জন করা বা  করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করা।

২। গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং সকল বিষয়ে আল্লাহ তায়ালার কাছে দুআ করার জন্য রাসূল সা. হাদীসে বলেছেন। সে জন্য আমরা সর্বদা আল্লাহর কাছে দুআ করবো। এর চেয়ে বেশী কিছু ভাবার দরকার নেই।