QA As Sunnah Q&A

সাহরী খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে কেউ যদি অপবিত্র হয়ে যায় তাহলে তার রোযা হবে কি না।

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক → আদব আখলাক → ইতিহাস → নামায → ত্বহারাত পবিত্রতা → জানাযা-কবর যিয়ারত → ঈমান → রোজা → সফর → আকীকা → শিরক-বিদআত → ঈদ কুরবানী → হাদীস ও উসূলুল হাদীস → যিকির দুআ আমল → নফল সালাত → হালাল হারাম → লেনদেন → বিবাহ-তালাক → তাওহীদ → তারাবীহ → যাকাত → ফিতরা → ব্যক্তিগত ও পারিবারিক → জুমআ → সুন্নাত → দাওয়াত ও তাবলিগ → কুরআন → হাদীস → জাদু-টোনা → সিরাত সামায়েল → পোশাক পরিচ্ছেদ → ফারায়েজ → মানত → আখিরাত → জান্নাত-জাহান্নাম → তাফসীর → রিসালাত → হজ্জ → জিহাদ → বাতিল ফিরকা → বিতর → সাধারণ দান-সদকাহ → হালাল → বিচার আচার → সালাত → ব্যক্তিগত ও তাবলিগ → সদকাহ → কাফফরা → সুদ-ঘুষ → আকীদা → পবিত্রতা → গুনাহ → জায়েয → রমযান → ইতিকাফ → দান-সদকাহ → বিদআত → মুসাফির → মসজিদ → পোশাক-পর্দা → তায়াম্মুম → বিবিধ →
রোজা • প্রশ্ন #৮ • ভিউ: ৮১ • ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৬

সাহরী খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে কেউ যদি অপবিত্র হয়ে যায় তাহলে তার রোযা হবে কি না।

প্রশ্নকারী: AsadAzad
প্রশ্ন বিস্তারিত

সাহরী খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে কেউ যদি অপবিত্র হয়ে যায় তাহলে তার রোযা হবে কি না।

উত্তর
Published

প্রশ্নটি করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। নিম্নে আপনার প্রশ্নে উল্লেখিত বিষয়ে আলোচনা করা হল। আশা করি তাতে আপনি আপনার উত্তর পাবেন। ইনশাল্লাহ।

রোজা সহীহ হওয়ার জন্য পবিত্রতা শর্ত নয়। সুতরাং কেউ যদি স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে বা স্বপ্নদোষের মাধ্যমে জুনুবী বা বড় ধরনের অপবিত্র হয়ে যায় এবং এ অবস্থাতে ফজরের ওয়াক্ত শুরু হয়ে যায় (যেমন কেউ ফজরের পূর্বে বা রাতে স্ত্রী সহবাস করে ঘুমিয়ে গেল এবং ফজরের আযানের পর ঘুম থেকে জাগ্রত হল বা সাহরী খেয়ে ঘুমিয়ে গেল এবং স্বপ্নদোষ হল। এরপর সে ফজরের ওয়াক্তে ঘুম থেকে উঠল) তাহলে তার রোজার কোন ক্ষতি হবে না। এ মর্মে আয়েশা রাঃ এবং উম্মে সালামা রাঃ থেকে বর্ণীত একটি হাদীসে এসেছে তারা বলেন:

كَانَ يُدْرِكُهُ الْفَجْرُ وَهُوَ جُنُبٌ مِنْ أَهْلِهِ ثُمَّ يَغْتَسِلُ وَيَصُوم

(অর্থ) রাসূল সা. স্ত্রী সহবাসের কারনে জুনুবী, এঅবস্থাতে ফজরের ওয়াক্ত হয়ে যেত। এরপর তিনি গোছল করতেন এবং রোজা রাখতেন। বুখারী, আস-সহীহ, হাদীস নং ১৯২৬। ইমাম তিরমিযী রহঃ বলেন: অধিকাংশ সাহাবায়ে কেরামের আমল এ হাদীস অনুযায়ী ছিলো। তিরমিযী, আস সুনান,কিতাব, আস সাওম,বাব, আল জুনুবু ইদরিকুহুল ফাজরু। তবে এ অবস্থায় থেকে ফজরের নামাজ কাজা করা বা জামাত তরক করা একেবারেই অনুচিত । বরং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গোছল সেরে পবিত্র হয়ে জামাতে শরীক হতে হবে। আল্লাহ আমাদেরকে পরিপূর্ণভাবে ইসলাম পালন করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

✅