QA As Sunnah Q&A

আমাদের ধারণা আমার ছোট বোনের উপর আমাদের এক আত্মীয় জাদু করছে । তার বিয়ার বয়স হইসে কিন্তু বিয়ে হচ্ছে নাহ । সে একাকী থাকতে পসন্দ করে, চুপ চাপ থাকতে চায়, কারো সাথে কথা বলতে চায় নাহ, মেজাজ খিটখিটে…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক • প্রশ্ন #৮০৩ • ভিউ: ১৫ • ১০ এপ্রিল, ২০০৮

আমাদের ধারণা আমার ছোট বোনের উপর আমাদের এক আত্মীয় জাদু করছে । তার বিয়ার বয়স হইসে কিন্তু বিয়ে হচ্ছে নাহ । সে একাকী থাকতে পসন্দ করে, চুপ চাপ থাকতে চায়, কারো সাথে কথা বলতে চায় নাহ, মেজাজ খিটখিটে…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমাদের ধারণা আমার ছোট বোনের উপর আমাদের এক আত্মীয় জাদু করছে । তার বিয়ার বয়স হইসে কিন্তু বিয়ে হচ্ছে নাহ । সে একাকী থাকতে পসন্দ করে, চুপ চাপ থাকতে চায়, কারো সাথে কথা বলতে চায় নাহ, মেজাজ খিটখিটে থাকে, সব সময় মাথা বেথা থাকে, বিয়ের কথা বললে রেগে যায়। এখন আমরা কি করতে পারি?
উত্তর
Published
আমরা তার জন্য দুআ করি আল্লাহ যেন যাবতীয় বিপদ থেকে তাবে হেফাজত করেন। । আপনারা নিম্নের দুআ গুলো তাকে পড়তে বলবেন অথবা আপনারা পড়ে ফুঁক দিবেন। ইনশাআল্লাহ কোন কিছু তাকে কোন ক্ষতি করতে পারবে না। ১। بِسْمِ اللهِ الَّذِيْ لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِيْ الأرْضِ وَلاَ فِيْ السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ العَلِيْمُ
উচ্চারণ : বিসমিল্লা-হিল লাযী লা- ইয়ার্দুরু মাআ ইসমিহী শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা- ফিস সামা-ই, ওয়া হুআস সামীউল আলীম। অর্থ : আল্লাহর নামে (আরম্ভ করছি), যাঁর নামের সাথে জমিনে বা আসমানে কোনো কিছুই কোনো ক্ষতি করতে পারে না। উসমান (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, যদি কোনো বান্দা সকালে ও সন্ধ্যায় তিন বার করে এই দুআটি পাঠ করে তবে সে দিনে ও ঐ রাতে কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না। হাদীসটি সহীহ। তিরমিযী (৪৯-কিতাবুদ্দাআওয়াত, ১৩-বাব..ফিদ্দুআ ইযা আসবাহা..) ২/১৭৬; মুসতাদরাক হাকিম ১/৬৯৫, হাইসামী, মাওয়ারিদুয যামআন ৭/৩৭২-৩৭৭। ২। أُعِيْذُكُمْ [أَعُوْذُ] بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لامَّةٍ
উচ্চারণ : উঈযুকুম {নিজের জন্য পড়লে: আঊযু} বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শাইতানিওঁ ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি আইনিল লা-ম্মাহ। অর্থ: আমি তোমাদেরকে আশ্রয়ে রাখছি (অথবা, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি) আল্লাহর পরিপূর্ণ কথাসমূহের, সকল শয়তান থেকে, সকল ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও প্রাণি থেকে এবং সকল ক্ষতিকারক দৃষ্টি থেকে। রাসূলুল্লাহ সা.এ বাক্যগুলো দ্বারা হাসান (রা) ও হুসাইন (রা)- কে হেফাজত করাতেন। তিনি বলতেন, ইবরাহীম (আ) এ বাক্যদ্বারা তার দু সন্তান ইসমাঈল ও ইসহাককে (আ) হেফাজত করাতেন। বুখারী (৬৪-কিতাবুল আম্বিয়া, ১২-বাব ইয়াযিফ্ফুন)। সকল মুমিন পিতা ও মাতার উচিত সকাল ও সন্ধ্যায় এ বাক্যগুলো পাঠ করে সন্তানদের ফুঁক দেওয়া ও দুআ করা। এছাড়া প্রত্যেকে নিজের হিফাযতের জন্য সকাল সন্ধ্যায় দুআটি পাঠ করবেন। ৩। সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ। আবূ সাঈদ খুদরী (রা) বলেন: রাসুলুল্লাহ সা. মানুষের এবং জিনের নযর থেকে হিফাযতের বিভিন্ন দুআ পাঠ করতেন। যখন সূরা ফালাক ও সূরা নাস নাযিল হলো তখন তিনি অন্যান্য সকল দুআ বাদ দিলেন। হাদীসটি সহীহ। ইবন মাজাহ (৩১-কিতাবুত তিব্ব, ৩২-বাবুল আইন) ২/১১৬১ (ভারতীয় ২/২৫১)। আরো বিস্তারিত জানতে পড়ুন, ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত, রাহে বেলায়াত গ্রন্থের ৬ষ্ঠ অধ্যায়।