ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
সদ্য বিবাহিত এক ব্যাক্তি আমার কাছে জানতে চেয়েছে মোহরানার বিধান সম্পর্কে। বিবাহের কিছু দিন আগে ছেলে পক্ষের লোক গিয়েছিল মেয়ের ওভিভাবকের কাছে বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে,সিদ্ধান্ত হল ছেলে বিয়েতে কোন য…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
সদ্য বিবাহিত এক ব্যাক্তি আমার কাছে জানতে চেয়েছে মোহরানার বিধান সম্পর্কে। বিবাহের কিছু দিন আগে ছেলে পক্ষের লোক গিয়েছিল মেয়ের ওভিভাবকের কাছে বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে,সিদ্ধান্ত হল ছেলে বিয়েতে কোন যৌতুক নিবেনা শরীয়তের যাবতীয় নিয়ম মেনেই এই বিবাহ সম্পন্ন হবে । কথা বলার একপর্যায় মেয়ের বাবার সাথে মোহরানা বিষয়ে কথা হয়। মেয়ের বাবা ৬০ হাজার টাকা মোহরানা নির্ধারণ করায় রাজি হন। কিন্তু বিবাহের দিন মেয়ে পক্ষের লোকযন কিছুতেই ৬০ হাজার টাকা মোহরানা মেনে নেয়নি বরং তারা ছেলের কাছে ৫লক্ষ টাকা মোহরানা দাবি করেন এ সময় মেয়ের বাবা ছিল নিরব। এতে ছেলে পক্ষের সম্মতি নাথাকা সত্তেও তারা ৫লক্ষ টাকা মোহরানা নির্ধারণ করে বিবাহ রেজিষ্ট্রি করে জাবিতীয় কাজ সমাপ্ত করেন। ছেলের পক্ষে ৫লক্ষ টাকা মোহরানা পরিশধ করা কখনই সম্ভবনা। এবিষয়ে হানাফি মাযহাবের দলিলসহ সমাধান চাই।
উত্তর
Published
আপনার প্রশ্ন থেকে এটা স্পষ্ট যে, কাবিননামাতে ৫ লক্ষ টাকা লেখা হয়েছে আর ছেলে তাতে স্বাক্ষর করেছে। প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে লেখাটায় মোহরের সর্বশেষ চুক্তি বলে গণ্য হবে। যেহেতু ছেলে তাতে স্বাক্ষর করেছে তাই মোহর ৫ লক্ষ টাকায় নির্ধারিত হয়ে গেছে। তবে স্বামী ও স্ত্রী যদি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে স্বামী স্ত্রীর থেকে মোহর কমিয়ে নেয় তাহলে সেটা সর্বক্যমতে জায়েজ হবে। উক্ত সমস্যাতে এটাই সমাধানের পথ। বাদাইস সানাই্উস কিতাবে আছে,
وَتَجُوزُ الزِّيَادَةُ فِي الْمَهْرِ إذَا تَرَاضَيَا بِهَا وَالْحَطُّ عَنْهُ إذَا رَضِيَتْ بِهِ ؛ لِقَوْلِهِ تَعَالَى : { وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُمْ بِهِ مِنْ بَعْدِ الْفَرِيضَةِ অর্থ: মোহরের ক্ষেত্র্রে কম-বেশী কর জায়েজ হবে যখন তারা দুজন (স্বামী-স্ত্রী) রাজী থাকবে। কেননা আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, মোহর নির্ধারনের পরে তোমরা সন্তুষ্ট হয়ে যা করবে তাতে কোন দোষ নেই।সূরা নিসা, আয়ত নং ৪।বাদা্ইউস সানাইয়া, ৬/১৯। আল্লামা কামাল ইবনে হুমাম বলেছেন, وَثَبَتَ صِحَّةُ الْحَطِّ شَرْعًا فِي الْمَهْرِ بِقَوْلِهِ تَعَالَى { وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُمْ بِهِ مِنْ بَعْدِ الْفَرِيضَةِ } فَبَيَّنَ أَنَّهُمَا إذَا تَرَاضَيَا بَعْدَ تَقْدِيرِ الْمَهْرِ عَلَى حَطِّ بَعْضِهِ أَوْ زِيَادَتِهِ جَازَ
অর্থ: শরীয়তে মোহর কম করার বিষয়টি সাবস্ত আছে। কেননা, কেননা আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, মোহর নির্ধারনের পরে তোমরা সন্তুষ্ট হয়ে যা করবে তাতে কোন দোষ নেই।সূরা নিসা, আয়ত নং ৪। এই আয়াতটি বর্ণনা করছে যে, যখন তারা দুজন (স্বামী ও স্ত্রী) মোহর নির্ধারনের পর মোহর কম-বেশী করা উপর রাজী থাকবে তখন তা জায়েজ হবে। ফাতহুল কাদীর, ১৫/২৮০। আল্লাহ তায়ালা ভাল জানেন।
وَتَجُوزُ الزِّيَادَةُ فِي الْمَهْرِ إذَا تَرَاضَيَا بِهَا وَالْحَطُّ عَنْهُ إذَا رَضِيَتْ بِهِ ؛ لِقَوْلِهِ تَعَالَى : { وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُمْ بِهِ مِنْ بَعْدِ الْفَرِيضَةِ অর্থ: মোহরের ক্ষেত্র্রে কম-বেশী কর জায়েজ হবে যখন তারা দুজন (স্বামী-স্ত্রী) রাজী থাকবে। কেননা আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, মোহর নির্ধারনের পরে তোমরা সন্তুষ্ট হয়ে যা করবে তাতে কোন দোষ নেই।সূরা নিসা, আয়ত নং ৪।বাদা্ইউস সানাইয়া, ৬/১৯। আল্লামা কামাল ইবনে হুমাম বলেছেন, وَثَبَتَ صِحَّةُ الْحَطِّ شَرْعًا فِي الْمَهْرِ بِقَوْلِهِ تَعَالَى { وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُمْ بِهِ مِنْ بَعْدِ الْفَرِيضَةِ } فَبَيَّنَ أَنَّهُمَا إذَا تَرَاضَيَا بَعْدَ تَقْدِيرِ الْمَهْرِ عَلَى حَطِّ بَعْضِهِ أَوْ زِيَادَتِهِ جَازَ
অর্থ: শরীয়তে মোহর কম করার বিষয়টি সাবস্ত আছে। কেননা, কেননা আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, মোহর নির্ধারনের পরে তোমরা সন্তুষ্ট হয়ে যা করবে তাতে কোন দোষ নেই।সূরা নিসা, আয়ত নং ৪। এই আয়াতটি বর্ণনা করছে যে, যখন তারা দুজন (স্বামী ও স্ত্রী) মোহর নির্ধারনের পর মোহর কম-বেশী করা উপর রাজী থাকবে তখন তা জায়েজ হবে। ফাতহুল কাদীর, ১৫/২৮০। আল্লাহ তায়ালা ভাল জানেন।