ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামুআলাইকুম,১.আমরা জানি সূর্য উদয়ের সময় নামাজ পরা হারাম এবং ২৩ মিনিট পর নামাজ পরতে হবে। আবার জানি নিয়মিত নামাজী যখন ঘুম থেকে উঠবে তখনি ফহরের নামাজ পরে নিবে। তখন যদি সূর্য উদয়ের টাইম …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুআলাইকুম,১.আমরা জানি সূর্য উদয়ের সময় নামাজ পরা হারাম এবং ২৩ মিনিট পর নামাজ পরতে হবে। আবার জানি নিয়মিত নামাজী যখন ঘুম থেকে উঠবে তখনি ফহরের নামাজ পরে নিবে। তখন যদি সূর্য উদয়ের টাইম হয়? এর সঠিক মাসআলা কি?
২.সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় নামাজ পরা হারাম এবং ২৩ মিনিট অগে থেকে নামাজ পরা বন্ধ করতে হবে। আবার জানি মাগরিবের আজান পর্যন্ত আসর নামাজ পরতে পারবে যদি ওজর থাকে। তখন যদি সূর্য অস্ত যাওয়ার টাইম হয়? সঠিক মাসআলা কি? দয়া করে জানাবেন...
২.সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় নামাজ পরা হারাম এবং ২৩ মিনিট অগে থেকে নামাজ পরা বন্ধ করতে হবে। আবার জানি মাগরিবের আজান পর্যন্ত আসর নামাজ পরতে পারবে যদি ওজর থাকে। তখন যদি সূর্য অস্ত যাওয়ার টাইম হয়? সঠিক মাসআলা কি? দয়া করে জানাবেন...
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ১। যদি কোন ব্যক্তি সূর্য উদয়ের সময় ঘুম থেকে উঠে তাহলে সে কখন ফজরের নামায পড়বে তা নিয়ে আলেমদের মধ্যে দুইটি মত বিদ্যমান। অনেক আলেম বলেন, তখনই পড়বে। আবার একদল আলেম বলেন সূর্য পুরোপুরি উঠার পর অর্থাৎ ২৩ মিনিট পরে পড়বে। যারা বলেন, সূর্য উঠার সময়ই পড়বে তাদেল দলীল: রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,
ليس في النوم تفريط إنما التفريط في اليقظة فإذا نسي أحدكم صلاة أو نام عنها فليصلها إذا ذكرها অর্থ: ঘুমের মধ্যে কোন ধরপাকড় নেই, ধরপাকড় জাগ্রত অবস্থার মধ্যে। যখন তোমাদের মধ্য থেকে কোন ব্যক্তি নামাযের কথা ভুলে যায় কিংবা নামাযের সময় ঘুমিয়ে থাকে তাহলে যখন তার স্বরণ আসবে তখন সে নামায আদায় করবে। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ১৭৭; সুনানু নাসায়ী, হাদীস নং ৬১৫। হাদীসটিকে ইমাম তিরমিযীসহ অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ সহীহ বলেছেন। অপরদিকে যারা বলেন সূর্য পরিপূর্ণ ওঠার পর পড়বে তাদের দলীল:
عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ الْجُهَنِىَّ يَقُولُ ثَلاَثُ سَاعَاتٍ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَنْهَانَا أَنْ نُصَلِّىَ فِيهِنَّ أَوْ أَنْ نَقْبُرَ فِيهِنَّ مَوْتَانَا حِينَ تَطْلُعُ الشَّمْسُ بَازِغَةً حَتَّى تَرْتَفِعَ وَحِينَ يَقُومُ قَائِمُ الظَّهِيرَةِ حَتَّى تَمِيلَ الشَّمْسُ وَحِينَ تَضَيَّفُ الشَّمْسُ لِلْغُرُوبِ حَتَّى تَغْرُبَ
অর্থ: উকবা ইবনে আমের রা. বলেন, তিনটি সময়ে রাসূলুল্লাহ সা. আমাদেরকে নামায আদায় করতে এবং জানাযা করতে নিষেধ করেছেন। সূর্য ওঠার সময় যতক্ষন না পরিপূর্ণ উঠে উঁচু হয়, ঠিক দুপুর বেলা যতক্ষন না সূর্য হেলে পড়ে এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার মুহুর্তে যতক্ষনা সূর্য ডুবে যায়। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৯৬৬। অন্য হাদীসে আছে রাসূলুল্লাহ সা. মক্কার রাস্তায় শেষ রাত্রে বিশ্রাম নেয়ার সময় সূর্য উঠে গেলে তিনি সেখান থেকে কিছুটা দূরে গিয়ে পরিপূর্ণভাবে উঠার পর সাহাবীদেরকে নিয়ে নামায আদায় করেছিলেন। মুয়াত্তা মালিক, হাদীস নং ২৮। ইমাম আবু হানীফা রহ. দ্বিতীয় মতটি পোষনকারীদের অন্যতম। আপনি ইমাম আবু হানীফা রহ. এর মতামত অনুযায়ী চলতে পারেন। তবে প্রথম মতটি কেউ মানলে তাকে তিরস্কার করবেন না। ২। সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় ঐদিনের আসরের নামায সর্বক্যমতে আদায় করা যাবে। দলীলসহ উক্ত মাসআলাগুলো বিস্তারিত জানতে দেখুন, আল-ফিকহুল ইসলামিয়্যু ও আদিল্লাতুহু, ১/৫৯৫-৬০০। সুনানু তিরমিযী, ১৭৭ নং হাদীসের নিচে ইমাম তিরমিযীর আলোচনা।
ليس في النوم تفريط إنما التفريط في اليقظة فإذا نسي أحدكم صلاة أو نام عنها فليصلها إذا ذكرها অর্থ: ঘুমের মধ্যে কোন ধরপাকড় নেই, ধরপাকড় জাগ্রত অবস্থার মধ্যে। যখন তোমাদের মধ্য থেকে কোন ব্যক্তি নামাযের কথা ভুলে যায় কিংবা নামাযের সময় ঘুমিয়ে থাকে তাহলে যখন তার স্বরণ আসবে তখন সে নামায আদায় করবে। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ১৭৭; সুনানু নাসায়ী, হাদীস নং ৬১৫। হাদীসটিকে ইমাম তিরমিযীসহ অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ সহীহ বলেছেন। অপরদিকে যারা বলেন সূর্য পরিপূর্ণ ওঠার পর পড়বে তাদের দলীল:
عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ الْجُهَنِىَّ يَقُولُ ثَلاَثُ سَاعَاتٍ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَنْهَانَا أَنْ نُصَلِّىَ فِيهِنَّ أَوْ أَنْ نَقْبُرَ فِيهِنَّ مَوْتَانَا حِينَ تَطْلُعُ الشَّمْسُ بَازِغَةً حَتَّى تَرْتَفِعَ وَحِينَ يَقُومُ قَائِمُ الظَّهِيرَةِ حَتَّى تَمِيلَ الشَّمْسُ وَحِينَ تَضَيَّفُ الشَّمْسُ لِلْغُرُوبِ حَتَّى تَغْرُبَ
অর্থ: উকবা ইবনে আমের রা. বলেন, তিনটি সময়ে রাসূলুল্লাহ সা. আমাদেরকে নামায আদায় করতে এবং জানাযা করতে নিষেধ করেছেন। সূর্য ওঠার সময় যতক্ষন না পরিপূর্ণ উঠে উঁচু হয়, ঠিক দুপুর বেলা যতক্ষন না সূর্য হেলে পড়ে এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার মুহুর্তে যতক্ষনা সূর্য ডুবে যায়। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৯৬৬। অন্য হাদীসে আছে রাসূলুল্লাহ সা. মক্কার রাস্তায় শেষ রাত্রে বিশ্রাম নেয়ার সময় সূর্য উঠে গেলে তিনি সেখান থেকে কিছুটা দূরে গিয়ে পরিপূর্ণভাবে উঠার পর সাহাবীদেরকে নিয়ে নামায আদায় করেছিলেন। মুয়াত্তা মালিক, হাদীস নং ২৮। ইমাম আবু হানীফা রহ. দ্বিতীয় মতটি পোষনকারীদের অন্যতম। আপনি ইমাম আবু হানীফা রহ. এর মতামত অনুযায়ী চলতে পারেন। তবে প্রথম মতটি কেউ মানলে তাকে তিরস্কার করবেন না। ২। সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় ঐদিনের আসরের নামায সর্বক্যমতে আদায় করা যাবে। দলীলসহ উক্ত মাসআলাগুলো বিস্তারিত জানতে দেখুন, আল-ফিকহুল ইসলামিয়্যু ও আদিল্লাতুহু, ১/৫৯৫-৬০০। সুনানু তিরমিযী, ১৭৭ নং হাদীসের নিচে ইমাম তিরমিযীর আলোচনা।