ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আমি একটা প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে চাকরী করি। কিছু বিশেষ কারনে আমার কোন পৈত্রিক নিবাস বা স্থায়ী আবাস নাই। আমার জন্মের পুর্বে থেকেই বলা চলে আমরা ঢাকায় ভাড়া থাকি। আমার দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। প্রথম…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমি একটা প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে চাকরী করি। কিছু বিশেষ কারনে আমার কোন পৈত্রিক নিবাস বা স্থায়ী আবাস নাই। আমার জন্মের পুর্বে থেকেই বলা চলে আমরা ঢাকায় ভাড়া থাকি। আমার দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। প্রথম কন্যার বয়স আড়াই বছর। জন্ম থেকেই ব্রেইন প্রব্লেম (জন্মের দিন যেমন ছিল এখনো তেমন আছে। শুধু শারিরিক বৃদ্ধি হয়। কোন নড়াচড়াও করতে পারেনা)। দ্বিতীয় কন্যার বয়স দের বছর। সে সুস্থ আছে। দুজনের জন্যই আলহামদুলিল্লাহ। এ দিকে আমার স্ত্রী আবার তিন মাসের অন্তসত্ত্বা। আমার কোন স্থায়ী নিবাস না থাকায় এবং সাহায্য করার লোকের অভাবে তার বাবার বাড়ীতে আছে। আমি শশুর বাড়ীতে এই জন্য কিঞ্চিত অর্থনৈতিক সহায়তা করি। আমি সূদের থেকে বাঁচার জন্য এবং হারাম উপার্জন থেকে বাঁচার জন্য আমার বড় মেয়ের জন্মের পর থেকেই চেষ্টা করে যাচ্ছি। এরজন্য গ্রামের এনজিও সমিতি বন্ধ করে দিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ আমার স্ত্রীও এ ব্যপারে আগ্রহী। মান-অভিমান, স্বার্থ ইত্যাদি কারনে বর্তমানে আমার কোন আপন সাহায্যকারীও নাই যেখানে আমার স্ত্রী সন্তান আমার অবর্তমানে কোন সাহায্য পাবে। নিজের সন্তানদের বিষয় বিবেচনা করে তাদের জন্য এক টুকরো স্থায়ী নিবাস কিংবা মাথা গোজার ঠাই সব সময় আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে তাড়া করে বেড়ায়। এই বিষয়ে কথা বলতেই আমার মসজিদের ইমাম সাহেব বললেন যে, এই অবস্থায় জমি কেনা বা বাড়ী বানানোর জন্য আমি লোন নিতে পারি যদি আমার পরিশোধের সম্ভাবনা বা আয়ের সোর্স থাকে। আমি কি এই লোন বলতে সূদী ব্যাংক থেকে লোন নাাক ধার? যেহেতু আমাকে কেউ এত বিশাল টাকা ধার দিবেনা। কিন্তু আমার সেলারী যে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রসেস হয় তারা ৮% সুদে ৫ বছরের জন্য কোন জামানত ছাড়াই লোন দিবে এবং বেতন থেকে মাসে মাসে কেটে নিবে। আমি ইতিমধ্যে তাদের অনেক কাগজে লোনের জন্য স্বাক্ষর করে ফেলেছি তবে চাইলে দু একদিনের মধ্যে হলে প্রসেস বন্ধ করতে পারব বলে মনেহয়। আমি কি এই লোন নিতে পারব? আল্লাহর আইন কি সেই সু্যোগ দেয়? আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!
উত্তর
Published
আমরা আপনার জন্য দুআ করি, আল্লাহ আপনার সমস্যার সমাধাণ করে দিন। সুদভিত্তিক কোন ব্যাংক থেকে ঋন নেওয়া আপনার জন্য এই অবস্থায় জায়েজ হবে না। শুধুমাত্র মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকলে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে সুদ বা হারামে লিপ্ত হতে পারেন। আপনার পরিস্থিতি সে রকম না। তবে যদি কোন ব্যাংক বা আর্থিক সুদবিহীন ঋন দেয় আপনাকে তাহলে নিতে পারেন। অথবা কোন ইসলামী ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান আপনার জমি-বাড়ি তাদের টাকায় করে দেন আর আপনি তাদের সেই টাকা নির্ধারিত লাভসহ ধীরে ধীরে দিয়ে দেন তাহলে সেটা ব্যবসা হিসেবে জায়েজ হবে। তবে আপনি টাকা নিয়ে সেই টাকা লাভসহ ফেরত দিতে পারবেন না, এটা সুদ। কোন ক্রমেই সুদে বা হারামে জড়িত হওয়া যাবে না। আল্লাহকে ভয় করে হারাম থেকে বেঁচে থাকতে হবে। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন,وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا (2) وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ যে আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার একটা রাস্তা বের করে দিবেন। এমন উৎস থেকে রিযিক দান করবেন যা কখানো সে কল্পনাও করে নি। যে আল্লাহর উপর ভরসা করে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট। সূরা তলাক, আয়াত ২-৩।