QA As Sunnah Q&A

বর্তমানে কিছু মানুষ দাবী করেন যে সারা বিশ্বে একই দিনে রোজা রাখতে হবে,ঈদ করতে হবে। এর পক্ষে একজন যুক্তি দিল বাংলাদেশের মানুষ সৌদির পরদিন থেকে রোজা রাখলে বাংলাদেশের বেজোড় রাত্রিগুলো হবে সৌদির …

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
বিবিধ • প্রশ্ন #১৭৭৯ • ভিউ: ১৫ • ১২ ডিসেম্বর, ২০১০

বর্তমানে কিছু মানুষ দাবী করেন যে সারা বিশ্বে একই দিনে রোজা রাখতে হবে,ঈদ করতে হবে। এর পক্ষে একজন যুক্তি দিল বাংলাদেশের মানুষ সৌদির পরদিন থেকে রোজা রাখলে বাংলাদেশের বেজোড় রাত্রিগুলো হবে সৌদির …

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
বর্তমানে কিছু মানুষ দাবী করেন যে সারা বিশ্বে একই দিনে রোজা রাখতে হবে,ঈদ করতে হবে। এর পক্ষে একজন যুক্তি দিল বাংলাদেশের মানুষ সৌদির পরদিন থেকে রোজা রাখলে বাংলাদেশের বেজোড় রাত্রিগুলো হবে সৌদির জোড় রাত্রি। তাহলে তাদের লাইলাতুল কদর আর আমাদের লাইলাতুল কদরও ভিন্ন ভিন্ন দিনে হয়ে যায়। এই যুক্তি কীভাবে খন্ডন করা যায়?
উত্তর
Published
নিচের হাদীটি লক্ষ্য করুন:عَنْ كُرَيْبٍ أَنَّ أُمَّ الْفَضْلِ بِنْتَ الْحَارِثِ بَعَثَتْهُ إِلَى مُعَاوِيَةَ بِالشَّامِ قَالَ فَقَدِمْتُ الشَّامَ فَقَضَيْتُ حَاجَتَهَا وَاسْتُهِلَّ عَلَىَّ رَمَضَانُ وَأَنَا بِالشَّامِ فَرَأَيْتُ الْهِلاَلَ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ ثُمَّ قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فِى آخِرِ الشَّهْرِ فَسَأَلَنِى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ - رضى الله عنهما - ثُمَّ ذَكَرَ الْهِلاَلَ فَقَالَ مَتَى رَأَيْتُمُ الْهِلاَلَ فَقُلْتُ رَأَيْنَاهُ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ. فَقَالَ أَنْتَ رَأَيْتَهُ فَقُلْتُ نَعَمْ وَرَآهُ النَّاسُ وَصَامُوا وَصَامَ مُعَاوِيَةُ. فَقَالَ لَكِنَّا رَأَيْنَاهُ لَيْلَةَ السَّبْتِ فَلاَ نَزَالُ نَصُومُ حَتَّى نُكْمِلَ ثَلاَثِينَ أَوْ نَرَاهُ. فَقُلْتُ أَوَلاَ تَكْتَفِى بِرُؤْيَةِ مُعَاوِيَةَ وَصِيَامِهِ فَقَالَ لاَ هَكَذَا أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم-
কুরাইব থেকে বর্ণিত যে, উম্মে ফজল বিনত হারেছ তাকে তাকে কোন কাজে সিরিয়ায় মুয়াবিয়া রা. এর কাছে পাঠিয়েছিলেন। কুরাইব বলেন, আমি সিরিয়ায় গিয়ে আমার কাজ শেষ করলাম। আসম সিরিয়ায় থাকা অবস্থায় রমাজানের চাঁদ উঠে। আমি জুমুআর রাত্রে চাঁদ দেখলাম। এরপর মাসের শেষদিকে আমি মদীনায় ফিরলাম। তখন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. চাঁদ প্রসঙ্গে আলাচনা করতে গিয়ে বললেন, তোমরা কোন দিন চাঁদ দেখেছো? আমি বললাম, জুমুআর রাত্রে। তখন তিনি বললেন, তুমি দেখেছো? আমি বললাম, হ্যাঁ এবং অন্য মানুষরাও দেখেছেেএবং রোজা রেখেছে, মুআবিয়া রা.ও রোজা রেখেছে। তখন ইবনে আব্বাস বললেন, আমরা শনিবার রাত্রে চাঁদ দেখেছি। আমরা রোজা রাখতেই থাকবো যতক্ষন না ৩০ টা হয় কিংবা চাঁদ দেখি। আমি বললাম, মুআবিয়া রা. এর চাঁদ দেখা এবং রোজা রাখা কিযথেষ্ট নয়? তিনি বললেন। এভাবেই রাসূলুল্লাহ সা. আমাদের আদেশ দিয়েছেন। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৮০। দেখুন, এই হাদীসে আমরা দেখছি যে, সিরিয়াতে জোড় রাত হলে মদীনায় বিজোড়। সাহাবীরা এটাই মেনে নিয়েছেন যে, দুই জায়াগার তারিখ দুরকম। যারা এইসব ফিতনা ফাসাদ করে বেড়াচ্ছে তার সম্ভবত সাহাবীদের চেয়েও বড় ফকিহ, না কি। যখন যেখানে চাঁদ উঠবে সেখানকার হিসাব সেখানে। আল্লাহর সওয়াবের অভাব নেই যে, দুই রাতে দিতে গেলে টান পড়বে। সাহাবীদের থেকে ধর্ম শিখুন এইসব মূর্খদের কাছে থেকে নয়।