ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আমাদের সমাজে একটা মসজিদ আছে আমার দাদাদের আমল থেকে। মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন একজন মুরব্বি, জায়গা দিয়েছিলেন অন্য একজন মুরব্বি। যিনি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছিল উনার ছেলেরাই মসজিদের সব দেখাশোনা করেন…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমাদের সমাজে একটা মসজিদ আছে আমার দাদাদের আমল থেকে। মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন একজন মুরব্বি, জায়গা দিয়েছিলেন অন্য একজন মুরব্বি। যিনি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছিল উনার ছেলেরাই মসজিদের সব দেখাশোনা করেন। উনার বড় ছেলে মসজিদের খতিব। ৭-৮ বছর আগে সমাজের সবাই বলে আমরা একটা মসজিদ কমিটি করি যার মাধ্যমে মসজিদ পরিচালিত হবে। কিন্তু যিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তার ছেলেরা বলেন, কোন কমিটি হবে না আমরা যেভাবে চালাবো সেভাবে চলবে সবকিছু। উনার বড় ছেলে নাকি এও বলেছিল এটা আমাদের মসজিদ। (এটা আমি আংকেল থেকে শুনেছি)
এরপর কাথা কাটাকাটি হয়ে সমাজে দুইটা গ্রুপের সৃষ্টি হয়। একটা হল জায়গার মালিকের অন্যটা যিনি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছেন তার ছেলেদের। গ্রুপ হওয়ার পর মসজিদের কর্তিত্ব নিয়ে পাল্টাপাল্টি মামলা হয়। মসজিদ এরিয়াতে একটা ফোরকানিয়া মাদ্রাসা আছে। ঝামেলা হওয়ার পর একটা গ্রুপ ফোরকানিয়াতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। (তাদের ভাষ্য যেহেতু খতিব আল্লহর ঘরকে দাবী করেছে এটা আমাদের মসজিদ তার পিছনে সালাত আদায় করলে হবে না)। সুরা তারাবিও হয়। দুই ঈদের জামাত হয়। কিন্তু জুমার নামাজ হয় না। আজান ও হয় না। অন্য গ্রুপ মসজিদে নামাজ পড়ে ওটাতে জুমারর নামাজ ও হয়। মসজিদ ইবাদত খানা দুইটাই পাশাপাশি লাগানো। আমাদের নামাজের আওয়াজ ওনারা শুনে ওদের নামাজের আওয়াজ আমরা শুনি। ৭-৮ বছর ধরে এমনই চলছে সাথে মামলাও চলমান। আমার প্রশ্ন হচ্ছে
১. ইসলাম এ ব্যাপারে কি বলে?
২. পাশে মসজিদ রেখে এভাবে ফোরকানিতে নামাজ আদায় করলে হবে কিনা?
৩. যেহেতু খতিব আল্লাহর ঘরকে তাদের মসজিদ বলেছে, উনার পিছনে যারা সালাদ আদায় করছেন তাদের সালাদ কবুল হবে কিনা?
এরপর কাথা কাটাকাটি হয়ে সমাজে দুইটা গ্রুপের সৃষ্টি হয়। একটা হল জায়গার মালিকের অন্যটা যিনি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছেন তার ছেলেদের। গ্রুপ হওয়ার পর মসজিদের কর্তিত্ব নিয়ে পাল্টাপাল্টি মামলা হয়। মসজিদ এরিয়াতে একটা ফোরকানিয়া মাদ্রাসা আছে। ঝামেলা হওয়ার পর একটা গ্রুপ ফোরকানিয়াতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। (তাদের ভাষ্য যেহেতু খতিব আল্লহর ঘরকে দাবী করেছে এটা আমাদের মসজিদ তার পিছনে সালাত আদায় করলে হবে না)। সুরা তারাবিও হয়। দুই ঈদের জামাত হয়। কিন্তু জুমার নামাজ হয় না। আজান ও হয় না। অন্য গ্রুপ মসজিদে নামাজ পড়ে ওটাতে জুমারর নামাজ ও হয়। মসজিদ ইবাদত খানা দুইটাই পাশাপাশি লাগানো। আমাদের নামাজের আওয়াজ ওনারা শুনে ওদের নামাজের আওয়াজ আমরা শুনি। ৭-৮ বছর ধরে এমনই চলছে সাথে মামলাও চলমান। আমার প্রশ্ন হচ্ছে
১. ইসলাম এ ব্যাপারে কি বলে?
২. পাশে মসজিদ রেখে এভাবে ফোরকানিতে নামাজ আদায় করলে হবে কিনা?
৩. যেহেতু খতিব আল্লাহর ঘরকে তাদের মসজিদ বলেছে, উনার পিছনে যারা সালাদ আদায় করছেন তাদের সালাদ কবুল হবে কিনা?
উত্তর
Published
এভাবে একটি সাধারণ বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করা মোটেও ঠিক নয়। কমিটি না হলে কি নামায হয় না? যারা মসজিদের দায়িত্বে আছেন তাদের সাথে আপোষের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। যখন এত বছর ঠিকঠাক মত চলছে তখন কমিটি করার কি খুবই প্রয়োজন? আমার তো মনে হয় এখানে ক্ষমতার দ্বন্দ চলছে। যদি ঠিক মত মসজিদ চলে তাহলে কমিটির খুব বেশী দরকার নেই। তার আমাদের মসজিদ বলাটা ঠিক হয় নি। তবে এতে তার পিছনে নামায না হওয়ার কোন কারণ নেই। যারা মসজিদ বাদ দিয়ে মাদরাসায় নামায আদায় করছে তার বিরাট অন্যায় করছে। মুসলিমদের মাঝে বিভেদ তৈরী করছে। ওখানে নামায হয়তো হয়ে যাবে কিন্তু মুসলিমদের ঐক্যে ফাটল ধরিয়ে তারা ক্ষমার অযোগ্য অন্যায় করে চলেছে। অবিলম্বে তাদের মসজিদে ফিরে আসা দরকার। আল্লাহ সঠিক বুঝ দান করুন।