ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
হুজুর আমাদের দেশে অনেকেই 7,8,10বছর বয়সে কুরআনের হাফেজ হয় (আলহামদুলিল্লাহ) এখন আমার প্রশ্ন হল এই সকল হাফেজদের পেছোনে খতম তারাবী পড়ার হুকুম কি? এটা কি ঠিক? আর আপনার উত্তর যদি হয় পড়া যাবে তাহলে…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
হুজুর আমাদের দেশে অনেকেই 7,8,10বছর বয়সে কুরআনের হাফেজ হয় (আলহামদুলিল্লাহ) এখন আমার প্রশ্ন হল এই সকল হাফেজদের পেছোনে খতম তারাবী পড়ার হুকুম কি? এটা কি ঠিক? আর আপনার উত্তর যদি হয় পড়া যাবে তাহলে আল্লাহ্ কেনো রসুল সঃ এর উপর কুরআন নাযিল করলেন চল্লিশ বছর বয়সে? আল্লাহ্ তো রসুলকে চল্লিশের আগেও কুরআনের ওহী দিতে পারতেন কিন্তু কেনো আল্লাহ্ সেটা করেননি? নিশ্চয়ই এর মধ্যে মানুষের জন্য শিক্ষার বিষয় রয়েছে । যদি একটু বিস্তারিত বলতেন উপকৃত হতাম ।
উত্তর
Published
কম বয়সী হাফেজরদের পিছনে সুন্নাত সালাত আদায় করা যায়। দেখুন হাফেজ হওয়া অর্থ হলো কুরআন আরবীতে মুখস্থ করা। একজন মানুষের শুধু কুরআন আরবীতে মুখস্থ করাই দাওয়াতের জন্য আদৌ যথেষ্ট নয়। মানুষের সাথে ব্যবহার কিভাবে করতে হবে, বিপদ-আপদে কী করতে হবে, বিভিন্ন বিষয়ের অভিজ্ঞতা অর্জন, ইহলৌকিক ও পরলৌকিক প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন, এগুলো দাওয়াত দিতে হলে প্রয়োজন। আর শিশু বয়সে এগুলো অসম্ভব। মুখস্ত করে কুরআন পড়তে একজন শিশুর কোন সমস্যা নেই। সুতরাং দুটোকে এক করে দেখা চলে না।