QA As Sunnah Q&A

আস-সালামু আলাইকুম ১। নবজাতক শিশুর কানে আজান দেয়ার সঠিক নিয়ম কি? ২। আজান দেয়ার পর শিশুর মুখে মধু বা অন্য কোনো কোনো কিছু দেয়ার কথাটা কতটুকু সঠিক? ৩। নবজাতক কন্যা শিশুর মাথার চুল কতদিনে ফেলতে হ…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
আকীকা • প্রশ্ন #৫৩০৭ • ভিউ: ২৩ • ০৯ আগস্ট, ২০২০

আস-সালামু আলাইকুম ১। নবজাতক শিশুর কানে আজান দেয়ার সঠিক নিয়ম কি? ২। আজান দেয়ার পর শিশুর মুখে মধু বা অন্য কোনো কোনো কিছু দেয়ার কথাটা কতটুকু সঠিক? ৩। নবজাতক কন্যা শিশুর মাথার চুল কতদিনে ফেলতে হ…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম ১। নবজাতক শিশুর কানে আজান দেয়ার সঠিক নিয়ম কি? ২। আজান দেয়ার পর শিশুর মুখে মধু বা অন্য কোনো কোনো কিছু দেয়ার কথাটা কতটুকু সঠিক? ৩। নবজাতক কন্যা শিশুর মাথার চুল কতদিনে ফেলতে হয়? ধন্যবাদ
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। সন্তান হওয়ার পর প্রথম দায়িত্ব হলো তাকে আজান শুনানো এরপর মুখে মিষ্টি জাতীয় কিছু দেয়া, ভাল নাম রাখা এবং আকীকা দেয়া। এগুলো সুন্নাত। সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।

১। হাদীস শরীফে এসেছেঃ حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَاصِمُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَذَّنَ فِي أُذُنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ حِينَ وَلَدَتْهُ فَاطِمَةُ بِالصَّلَاةِ উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতিমাহ (রাঃ) যখন আলী (রাঃ)-এর পুত্র হাসান (রাঃ)-কে প্রসব করলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কানে সালাতের আযান ন্যায় আযান দিয়েছিলেন। তিরমিযী ১৫১৪, আবূ দাঊদ ৫১০৫। হাদীসটিকে ইমাম তিরমিযে হাসান সহীহ বলেছেন। সুতরাংতবে ডান বা বাঁ কান নির্দিষ্ট নয়, কোলে নিয়ে আস্তে আস্তে আজান বলতে হবে আর বাচ্চা শুনবে। এখানে কান কোনো মূল লক্ষ্য নয়, শোনানোটা মূল।

২। মধু বা খেজুর শিশুর মুখে দেয়া সুন্নাহসম্মত। এটাকে আরীতে তাহনিক বলে।নীচের হাদীসটি লক্ষ্য করুন عَنْ أَبِي مُوسَى ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، قَالَ وُلِدَ لِي غُلاَمٌ فَأَتَيْتُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَسَمَّاهُ إِبْرَاهِيمَ فَحَنَّكَهُ بِتَمْرَةٍ وَدَعَا لَهُ بِالْبَرَكَةِ وَدَفَعَهُ إِلَيَّ আবু মুসা আশআরী রা. বলেন আমার একটি পুত্র সন্তান জন্ম নিলে আমিতাকে রাসূলুল্লাহ সা. এর কাছে নিয়ে গেলাম তখন তিনি তার নাম রাখলেন ইবরাহীম এরপরতাকে একটি খেজুর দ্বারা তাহনিক করালেন (অর্থাৎ মুখে দিলেন) এবং তার জন্য দুআ করলেন। সহীহ বুখারী হাদীস নং ৫৪৬৭।

৩। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,كُلُّ غُلاَمٍ رَهِينَةٌ بِعَقِيقَتِهِ تُذْبَحُ عَنْهُ يَوْمَ سَابِعِهِ وَيُحْلَقُ وَيُسَمَّى প্রতিটি শিশু আকীকার বন্ধনে জড়িত, জন্মের সপ্তম দিনে তার পক্ষ থেকে জবেহ করতে হবে, তার চুল কাটতে হবে এবং নাম রাখতে হবে। সুনানু তিরমিযি, হাদীস নং ১৭৮৩। হাদীসটি সহীহ। পুত্র-কন্যা সব সন্তানেরই একই বিধান।