ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। পবিত্র কুরআনের সূরা নিসার ৯৭ নং আয়াতের ব্যাখ্যা টা কি? এই আয়াতের আলোকে বর্তমানে শরীয়তের কোন কারণ ছাড়া অমুসলিম দেশে বসবাসের বিধান কি হবে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। সুরা নিসার উল্লেখিত আয়াতের সারকথা হল, কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন এলাকায় বসবাস করে যেখানে দ্বীন পালন করা যায় না, এবং অন্য কোন ভূখন্ডে বসবাস করার ক্ষমতা তার আছে, যেখানে দ্বীন পালনের পরিবেশ রয়েছে, তাহলে তার জন্য সে ভূখন্ডে বসবাস করা হারাম যেখানে দ্বীন পালনের পরিবেশ নেই। অমুসলিম দেশে বসবাসের জন্য নিম্নলিখিত শর্তাবলী আবশ্যকঃ
১. শুধুমাত্র দ্বীন প্রচার ও প্রসারের উদ্দেশ্যে সফর করা। ইহা অনেক বড় সাওয়াবের কাজ। ২.নিজের উপর এতটুকু নির্ভরতা জরুরী যে, অমুসলিমদের সাথে উঠা-বসার কারণে ঈমানের কোন দূর্বলতা আসবে না। ৩. যে দেশে বসবাস করবে, সেখানে দ্বীন পালনের স্বাধীনতা থাকতে হবে। জামাতে সালাত আদায়ের পরিবেশ, জুমার সালাত আদায়ের পরিবেশ ইত্যাদী। কেননা ইচ্ছা করে নিজকে এমন পরিবেশে নিয়ে যাওয়া বৈধ নয় যেখানে উল্লেখিত ইবাদাত পালন করা যাবে না। ৪. অমুসলিমদের সাথে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক করা ইসলামী শরীয়াতে হারাম। অনেকদিন বসবাসের ফলে সম্পর্ক সাধারণত অনেক গভীর হয়ে যায়। ৫. শুধুমাএ ব্যবসার উদ্দেশ্যে অমুসলিম দেশে ততদিন থাকা বৈধ, যতদিন ব্যবসার প্রয়োজনীয়তা থাকে। বিঃ দ্রঃ মুসলিম কোন দেশে যদি বসবাসের এবং জীবিকা নির্বাহের সুযোগ থাকে, তাহলে কোন মুসলমান বিশেষ করে দ্বীনদার মুসলমানদের জন্য অমুসলিম দেশে বসবাস করা মোটেই উচিত হবে না।
১. শুধুমাত্র দ্বীন প্রচার ও প্রসারের উদ্দেশ্যে সফর করা। ইহা অনেক বড় সাওয়াবের কাজ। ২.নিজের উপর এতটুকু নির্ভরতা জরুরী যে, অমুসলিমদের সাথে উঠা-বসার কারণে ঈমানের কোন দূর্বলতা আসবে না। ৩. যে দেশে বসবাস করবে, সেখানে দ্বীন পালনের স্বাধীনতা থাকতে হবে। জামাতে সালাত আদায়ের পরিবেশ, জুমার সালাত আদায়ের পরিবেশ ইত্যাদী। কেননা ইচ্ছা করে নিজকে এমন পরিবেশে নিয়ে যাওয়া বৈধ নয় যেখানে উল্লেখিত ইবাদাত পালন করা যাবে না। ৪. অমুসলিমদের সাথে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক করা ইসলামী শরীয়াতে হারাম। অনেকদিন বসবাসের ফলে সম্পর্ক সাধারণত অনেক গভীর হয়ে যায়। ৫. শুধুমাএ ব্যবসার উদ্দেশ্যে অমুসলিম দেশে ততদিন থাকা বৈধ, যতদিন ব্যবসার প্রয়োজনীয়তা থাকে। বিঃ দ্রঃ মুসলিম কোন দেশে যদি বসবাসের এবং জীবিকা নির্বাহের সুযোগ থাকে, তাহলে কোন মুসলমান বিশেষ করে দ্বীনদার মুসলমানদের জন্য অমুসলিম দেশে বসবাস করা মোটেই উচিত হবে না।