QA As Sunnah Q&A

আস্সালামুআলাইকুম... আমাদের গ্রামে ঈদগাঁ মাঠ আর মসজিদ, স্কুল একসাথে,মাঠের কাজের সময়, আমার বাবা বলে, মাঠের মেইন গেট আর সাথে পকেট গেট রাখতে। আর অনেকেই বলে পুরা মাঠ গিরে ফেলতে। আমাদের মসজিদে ওয়া…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক → আদব আখলাক → ইতিহাস → নামায → ত্বহারাত পবিত্রতা → জানাযা-কবর যিয়ারত → ঈমান → রোজা → সফর → আকীকা → শিরক-বিদআত → ঈদ কুরবানী → হাদীস ও উসূলুল হাদীস → যিকির দুআ আমল → নফল সালাত → হালাল হারাম → লেনদেন → বিবাহ-তালাক → তাওহীদ → তারাবীহ → যাকাত → ফিতরা → ব্যক্তিগত ও পারিবারিক → জুমআ → সুন্নাত → দাওয়াত ও তাবলিগ → কুরআন → হাদীস → জাদু-টোনা → সিরাত সামায়েল → পোশাক পরিচ্ছেদ → ফারায়েজ → মানত → আখিরাত → জান্নাত-জাহান্নাম → তাফসীর → রিসালাত → হজ্জ → জিহাদ → বাতিল ফিরকা → বিতর → সাধারণ দান-সদকাহ → হালাল → বিচার আচার → সালাত → ব্যক্তিগত ও তাবলিগ → সদকাহ → কাফফরা → সুদ-ঘুষ → আকীদা → পবিত্রতা → গুনাহ → জায়েয → রমযান → ইতিকাফ → দান-সদকাহ → বিদআত → মুসাফির → মসজিদ → পোশাক-পর্দা → তায়াম্মুম → বিবিধ →
মসজিদ • প্রশ্ন #৬০৮৫ • ভিউ: ১০১ • ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২

আস্সালামুআলাইকুম... আমাদের গ্রামে ঈদগাঁ মাঠ আর মসজিদ, স্কুল একসাথে,মাঠের কাজের সময়, আমার বাবা বলে, মাঠের মেইন গেট আর সাথে পকেট গেট রাখতে। আর অনেকেই বলে পুরা মাঠ গিরে ফেলতে। আমাদের মসজিদে ওয়া…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস্সালামুআলাইকুম... আমাদের গ্রামে ঈদগাঁ মাঠ আর মসজিদ, স্কুল একসাথে,মাঠের কাজের সময়, আমার বাবা বলে, মাঠের মেইন গেট আর সাথে পকেট গেট রাখতে। আর অনেকেই বলে পুরা মাঠ গিরে ফেলতে। আমাদের মসজিদে ওয়াক্তি নামাজ তেমন কেউ পরে না। এমন হয় রাতে গিয়া আমার মাকে মসজিদ এর মেইন গেট বন্ধ করতে হয়। তাই আব্বা বলছিলো, একটা পকেট গেট রাখতে। কিন্তু অন্য সমাজের কয়েকজন না করলে, আব্বা অনেক টা অভিমানে বলে, আপনারা নামাজ পড়েন, আমি দ্বিতীয় জামাত করে নামাজ পড়বো। অন্য সমাজের যারা ছিল ওনারা ওনাদের সমাজে গিয়া ভুল ব্যাখ্যা দিয়া আলাদা হয়ে যায়। এই লোক গুলোই যখন মাঠের কাজের জন্য টাকা দিতে চাসছিলো না, তখন ওনারা আলাদা মাঠ করার জন্য অনেক টাকা খরচ করে নতুন মাঠ বানায়। এতে কি আমার বাবা গুনাগার হইছে।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মিমাংসার মাধ্যমে কাজ করতে হয়। শুধু পকেট গেটকে কেন্দ্র করে পুরো সমাজ বিভক্ত হয়ে পড়া মূর্খতা ছাড়া কিছু নয়। চরম মূর্খ সমাজে যে ভাবেই হোক “দ্বিতীয় জামাত করে নামাজ” পড়ার কথা বলা আদৌ যে উচিত হয় নি, সেটা তো এখন পরিস্কার। উভয় পক্ষ যে, নিজ নিজ মতের উপর অটল ছিল, কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি হয় নি, সেটাও পরিস্কার। সুতরাং এই অনাকাংখিত ঘটনার জন্য সবাই দায়ী থাকবে।
✅