ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম, আমার আগে ইসলাম সম্পর্কে ওতো ভালো জ্ঞান ছিলো না,কিন্তু কিছুদিন আগে আমি ড, খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাংগির স্যারের ইসলামি আকিদা বইটা পড়েছি,এবং শিরক সম্পর্কেও কয়েকটা বই পড়েছি , আ…
প্রশ্নকারী: Gamingytrubel
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম, আমার আগে ইসলাম সম্পর্কে ওতো ভালো জ্ঞান ছিলো না,কিন্তু কিছুদিন আগে আমি ড, খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাংগির স্যারের ইসলামি আকিদা বইটা পড়েছি,এবং শিরক সম্পর্কেও কয়েকটা বই পড়েছি , আমার এখন মন হয় আমার ইমান আছে কিনা, কারণ এর আগে আমার মনে হচ্ছে যে আমিও শিরক করেছি,যেমন কসম করা, জাদু করা, হিন্দুদের একদিন ৫টাকা দান করেছিলাম। এগুলো শিরক এখন বুঝতে পেরেছি, আরো অজানা শিরক আছে হয়তো, এখন এইসব বিষয় আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে,আমি তওবাও করছি তাও মনে শান্তি পাচ্চিনা, ভাবছি আল্লাহ কি আমার তওবা কবুল করেছেন? আমার কি ইমান আছে? এক কথায় আমি ভাবছি আমার ইমান আছে না নাই?আর কিভাবে আমি শান্তি পাবো?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। তওবা করলে আল্লাহ তায়ালা তওবা কবুল করেন এবং সব গুনাহ ক্ষমা করে দেন। অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা তওবা কবুল করবেন, এটা নিয়ে কোন সংশয় নেই। সুতরাং টেনশন করার কোন প্রয়োজন নেই।
আপনি মূমিন, ঈমানদার। এটা নিয়েও ভাববেন না। ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নাত কাজগুলো যথা নিয়মের করবেন। হালাল-হারাম মেনে চলবেন। আল্লাহর কাছে দুআ করবেন। আল্লাহ আপনাকে প্রশান্তি দান করুন।
আপনি মূমিন, ঈমানদার। এটা নিয়েও ভাববেন না। ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নাত কাজগুলো যথা নিয়মের করবেন। হালাল-হারাম মেনে চলবেন। আল্লাহর কাছে দুআ করবেন। আল্লাহ আপনাকে প্রশান্তি দান করুন।