QA As Sunnah Q&A

আস-সালমু আলাইকুম, অনেক ওয়াজে শুনেছি যে, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসার জন্য টুকটাক মিথ্যা বলা জায়েজ। কিন্তু রাসূল (দ) নিজে কি কখনো এরূপ করেছেন? অর্থাৎ, এক্ষেত্রে সুন্নত কি? বর্তমানে, ব্যবস…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
সুন্নাত • প্রশ্ন #৬৪১০ • ভিউ: ২৮ • ১৭ আগস্ট, ২০২৩

আস-সালমু আলাইকুম, অনেক ওয়াজে শুনেছি যে, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসার জন্য টুকটাক মিথ্যা বলা জায়েজ। কিন্তু রাসূল (দ) নিজে কি কখনো এরূপ করেছেন? অর্থাৎ, এক্ষেত্রে সুন্নত কি? বর্তমানে, ব্যবস…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালমু আলাইকুম, অনেক ওয়াজে শুনেছি যে, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসার জন্য টুকটাক মিথ্যা বলা জায়েজ। কিন্তু রাসূল (দ) নিজে কি কখনো এরূপ করেছেন? অর্থাৎ, এক্ষেত্রে সুন্নত কি? বর্তমানে, ব্যবসায়িক প্রয়োজনে এবং ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক হারে মিথ্যা বলে মানুষ, যদিও এসব মিথ্যা সরাসরি কারো হক নষ্ট করে না, এগুলো কি জায়েজ? উদাহরণস্বরূপ, অনেক ব্যবসায়ী ৭০ টাকা কেনা দাম কাস্টমার কে ৯০ টাকা বলে! এখানে কাস্টমার স্বাধীন বাজার যাচাই করে কিনতে পারে। সামগ্রিকভাবে, মিথ্যাকে বর্তমানে অনেক আলেম ও উৎসাহিত করেন বিভিন্ন পরিস্থিতে। এভাবে টুকটাক মিথ্যার অভ্যাসের ব্যাপারে আপনাদের মতামত এবং সুন্নাহ জানতে চাচ্ছি। আল্লাহ্ আপনাদের উত্তম বিনিময় দিন।
উত্তর
Published
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ، وَأَبُو أَحْمَدَ قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيدَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَحِلُّ الْكَذِبُ إِلاَّ فِي ثَلاَثٍ يُحَدِّثُ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ لِيُرْضِيَهَا وَالْكَذِبُ فِي الْحَرْبِ وَالْكَذِبُ لِيُصْلِحَ بَيْنَ النَّاسِ "  আসমা বিনত ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিনটি ক্ষেত্র ব্যাতিত অসত্য বলা হালাল নয়। ১। স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে যেয়ে কিছু বলা। ২। যুদ্ধের প্রয়োজনে অসত্য বলা। ৩। এবং পরস্পর সুসম্পর্ক স্থাপন করতে গিয়ে কিছু অসত্য বলা। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ১৯৩৯। হাদীসটি সহীহ। স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরে মিথ্যা বলার অর্থ হলো- সম্পর্কের স্থায়িত্ব ও সংসার টিকিয়ে রাখতে ভালোবাসা-প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করার ক্ষেত্রে কৌশলী হওয়া। যেমন স্বামী বলতে পারবে- ‘তুমি অনেক সুন্দর মাশাআল্লাহ’, ‘তুমি চাঁদের চেয়েও সুন্দর’, পৃথিবীতে তুমিই আমার আপনজন’, ‘আমার চোখে তুমিই পৃথিবীর সুন্দরতম নারী’ ইত্যাদি। তবে মিথ্যা বলার সুযোগ থাকার অর্থ মোটেও কারো অধিকার খর্ব করা বা দায়িত্ব থেকে পালিয়ে বেড়াপকেটে টাকা থেকেও যদি বলেন নেই, এটা তো ডাহা মিথ্যা কথা। এত বড় মিথ্যা আল্লাহর বান্দা বলতে পারেন না। আপনি তাঁকে অন্যভাবে বলতে পারেন যে, দেওয়ার মতো টাকা নেই এখন। কিন্তু, নেই বললে তো পুরো মিথ্যা। এভাবে মিথ্যা বলতে বলতে আপনি প্রকৃত মিথ্যুক হয়ে যাবেন। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে কোন যুক্তিতেই মিথ্যা বলা যাবে না। কারো ক্ষতি না হলেও মিথ্যা বলা যাবে না।নো নয়।