ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম শায়খ , ব্যক্তিগত একটি প্রশ্ন এবং আমার নাম দয়া করে প্রকাশ করবেন না। আমি যৌথ পরিবারে থাকি। বাবা মা দাদি একজন ফুপু এবং আমার স্ত্রী সবাই মিলে থাকি। বাবা দাদি অসুস্থ এবং ফুপুর ক…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম শায়খ ,
ব্যক্তিগত একটি প্রশ্ন এবং আমার নাম দয়া করে প্রকাশ করবেন না। আমি যৌথ পরিবারে থাকি। বাবা মা দাদি একজন ফুপু এবং আমার স্ত্রী সবাই মিলে থাকি। বাবা দাদি অসুস্থ এবং ফুপুর ক্যান্সার। সমস্যা হলো পরিবারের সবাই কেমন যেন আক্রমণাত্মকভাবে কথা বলে। বাসায় কোনো আত্মীয় আসলে তাদের ছোট করে কথা বলে, বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে খোঁচা মেরে কথা বলে। এইভাবে সবার সাথেই আস্তে আস্তে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
আমি ব্যাক্তিগতভাবে এগুলো খুব অপছন্দ করি, বাধা দেয়ার চেষ্টা করি কিন্তু লাভ হয় না। বাসায় সবাই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরে, রোজা রাখে, কুরআন পরে কিন্তু এই অভ্যাস বর্জন করে না। মানসিক ভাবে আমি খুব ভেঙ্গে পরছি। সবার বয়স হয়ে গেসে আর আমাকেই তাদের দেখাশোনা করতে হয়। সারাদিন কষ্ট করে বাসায় এসে যখন এই ধরনের ঘটনা দেখি তখন খুব খারাপ লাগে, কষ্ট হয়।
আমার স্ত্রী নতুন, ওর জন্য এই পরিবেশ নতুন আরও কষ্টদায়ক। শাইখ আমি কাউকে কষ্ট দিতে চাই না আর আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক নষ্ট করতেও চাই না। আমি জানি মানুষের মনে কষ্ট দিলে আল্লাহও ক্ষমা করে না। কিন্তু আমি তো অনেক চেষ্টা করি সবাইকে পরিবর্তন করার কিন্তু পারি না। আমার এখন করণীয় কি যদি আমাকে একটু উপদেশ দিতেন খুব উপকার হতো।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। তাদেরকে বুঝানো এবং তাদের জন্য দুআ, এই দুটো কাজই করতে হবে। পিতা-মাতা-মুরব্বীদের সাথে অন্য কোন আচরণ করা যাবে না। বয়স হলে, অসুস্থ হলে অনেক মানুষের আচরণ একটু অস্বাভাবিক হয়ে যায়, এটা মেনে নিয়ে ধর্য্যের সাথে থাকতে হবে। আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিবেন ইনশাআল্লাহ।