ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন নারী। বয়স ৩১। আমার বিয়ের জন্য বেশ কয়েক বছর যাবত চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রস্তাব আসে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়না। এক কবিরাজ বলেছেন ১২ বছর যাবত আমার বর বেধে রাখছে কেউ শত্রুত…
প্রশ্নকারী: Rashidakitchen11
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন নারী। বয়স ৩১। আমার বিয়ের জন্য বেশ কয়েক বছর যাবত চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রস্তাব আসে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়না। এক কবিরাজ বলেছেন ১২ বছর যাবত আমার বর বেধে রাখছে কেউ শত্রুতা করে।আমার পিতা- মাতা বিভিন্ন জায়গায় কবিরাজ দেখিয়েছেন।অনেক ঝাড়ফুঁক করিয়েছেন।শরীরে তাবিজ বেধেও চেষ্টা করেছেন। আমি বরাবরই তাবিজ নিতে নারাজ। এতদিন আমাকে বুঝিয়ে - অনুরোধ করে তাবিজ ব্যবহার করিয়েছেন। বর্তমানে আমি এসব তাবিজ ব্যবহারে দৃঢ়ভাবে অসম্মতি জানিয়েছি। তাই তারা আমার রুমে বিভিন্ন জায়গায় - বিছানার নিচে সেগুলো বেধে রাখছে।এগুলো আমার অগোচরে করছেন এখন আমার করণীয় কি? আমি শুধু মাত্র আল্লাহর উপর ভরসা করে সবরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ১৮-২২ বছরের বা পরিণত বয়সের মেয়েদের বিয়ে হওয়াটা তুলনামূলক সহজ হয়। এর চেয়ে বয়স বেড়ে গেলে বিভিন্ন কারণে মেয়েদের বিবাহ কঠিন হয়ে যায়। ১৮- ২২ বছরে বা পরিণত বয়সে বিয়ে আসে, কিন্তু অনেক অভিভাবক বিভিন্ন অজুহাতে বিয়ে দেন না। পরে যখন বিয়ে দেয়া কঠিন হয়ে যায় তখন এই সব কবিরাজ ধরেন, জিন-পরীর কাহিনী রটান। আপনার ক্ষেত্রে কী হয়েছে সেটা আমরা নিশ্চিত নয়। তবে এখন চেষ্টা করতে হবে আর দুআ করতে হবে। তাবিজ গ্রহণ করা যাবে না। আল্লাহ আপনার কষ্ট দূর করে দিন।