ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম, একজন বললেন যে ঋণগ্রস্থ তার জন্য দান করা হারাম। কথাটি সঠিক কিনা? আর আমার মতে ঋণ দুই ভাগে বিভক্ত। এক. আমি যে পরিমান ঋণ গ্রস্থ তার বিপরীতে সম্পদ আছে অর্থাৎ আমি জমি কিনেছি তার…
প্রশ্নকারী: Joshimlibrary1
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম, একজন বললেন যে ঋণগ্রস্থ তার জন্য দান করা হারাম। কথাটি সঠিক কিনা? আর আমার মতে ঋণ দুই ভাগে বিভক্ত।
এক. আমি যে পরিমান ঋণ গ্রস্থ তার বিপরীতে সম্পদ আছে অর্থাৎ আমি জমি কিনেছি তার বিপরীতে এক লক্ষ টাকা ঋণ ।
দুই. আমার শুধুই ঋণ বিপরীতে কোন সম্পদ নেই। তাহলে এই মতটি কোন শ্রেণীর ঋণীর জন্য প্রযোজ্য।
এক. আমি যে পরিমান ঋণ গ্রস্থ তার বিপরীতে সম্পদ আছে অর্থাৎ আমি জমি কিনেছি তার বিপরীতে এক লক্ষ টাকা ঋণ ।
দুই. আমার শুধুই ঋণ বিপরীতে কোন সম্পদ নেই। তাহলে এই মতটি কোন শ্রেণীর ঋণীর জন্য প্রযোজ্য।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, কথাটি পুরোপুরো সঠিক না। ঋনগ্রস্থ ব্যক্তি দান করতে পারবে না, এমন কোন কথা হাদীসে নেই। ঋনের বিপরীতে সম্পদ থাকলে তো দান করতে কোন সমস্যাই নেই।
আর কোন ব্যক্তি যদি এমন ঋণে ডুবে থাকে যা পরিশোধ করার জন্য তার সমস্ত সম্পত্তি দরকার, তবে এটা কোনো যুক্তিসংগত ও বিবেকসম্মত কথা নয় যে, জরুরি ও আবশ্যক ঋণ পরিশোধ না করে সে নফল দান-সাদকা করবে! অতএব, তার জন্য অধিকতর উত্তম হলো, প্রথমে ফরয কাজ করা তারপর নফল কাজ করা। দান করা জায়েয আছে কিন্তু উত্তমতার বিপরীত।
আর কোন ব্যক্তি যদি এমন ঋণে ডুবে থাকে যা পরিশোধ করার জন্য তার সমস্ত সম্পত্তি দরকার, তবে এটা কোনো যুক্তিসংগত ও বিবেকসম্মত কথা নয় যে, জরুরি ও আবশ্যক ঋণ পরিশোধ না করে সে নফল দান-সাদকা করবে! অতএব, তার জন্য অধিকতর উত্তম হলো, প্রথমে ফরয কাজ করা তারপর নফল কাজ করা। দান করা জায়েয আছে কিন্তু উত্তমতার বিপরীত।